আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ফের এশিয়া কাপ ২০২৫-এ জশপ্রীত বুমরাহর মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে মন্তব্য করলেন। বুমরাহ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বোলার হিসেবে পরিচিত। যে কোনও পর্যায়ে ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। 
তবুও ফারহান ভারতের চ্যাম্পিয়ন বোলার  বুমরাহকে সামলাতে সক্ষম হন এবং ভারতীয় পেসারকে তিনটি ছক্কা মারেন। বুমরাহর মতো বোলারকে তিনটি ছক্কা হাঁকানো সহজ ব্যাপার নয়। বুমরাহর বিরুদ্ধে ফারহান ৩৪ বলে ৫১ রান করেন, যার মধ্যে রয়েছে ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা।

বুমরাহ সম্পর্কে বলতে গিয়ে ফারহান বলেন, “আমি মনে করি না যে ওই (ভারতীয়) দলে শুধু বুমরাহই ছিল। বাকিরাও সেরা। যেমন অক্ষর প্যাটেল এবং কুলদীপ যাদব। তাই বিষয়টা শুধু বুমরাহকে নিয়েই নয়। তবে আমি শুরুটা বুমরাহর বিরুদ্ধে  ভাল করেছিলাম। ভাল বোলারকে ছক্কা মারলে একজন খেলোয়াড় হিসেবে আত্মবিশ্বাস আসে।''

ফাইনালে ফারহান ৩৮ বলে ৫৭ রান করেন।  তবে তিলক ভার্মার পারফরম্যান্স শেষ পর্যন্ত ভারতের জয় এবং খেতাব নিশ্চিত করে।

ফারহান স্বীকার করেন যে শুরুতেই বুমরাহর মুখোমুখি হওয়া কঠিন, কিন্তু একবার সেই ধাপ অতিক্রম করতে পারলে বাকি বোলিং আক্রমণ সামলানো তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হয়। ফারহান বলেন, ''শুরুতে বেশ বেগ দিয়েছিল আমাকে।  স্লোয়ার বল, ইয়র্কার এবং বাউন্সার করছিল। বুমরাহ বল সুইং করায়, ইনসুইং-আউটসুইং দুটোই করে। তাই ওকে খেলা সত্যিই কঠিন। ওর বিরুদ্ধে নিজেকেই নিজের পথ খুঁজে নিতে হয়। আর একবার সেই ধাপ অতিক্রম করতে পারলে বাকি বোলারদের  তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হয়।'' 

পাকিস্তানের এই ওপেনার টি-টোয়েন্টি  বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। ৬ ম্যাচে ৩৮৩ রান করেন তিনি। তবে ভারত-পাক ম্যাচে তিনি বুমরাহর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাননি, কারণ হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে প্রথম ওভারেই তিনি আউট হয়ে যান।

বুমরাহ টুর্নামেন্ট শেষ করেন ৮ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়ে।