আজকাল ওয়েবডেস্ক: চোটগ্রস্ত নেইমার। দিনের পর দিন মাসের পর মাস তিনি মাঠের বাইরে। সুস্থ হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে নেইমারের মনের জোর কিন্তু কমছে না। আর তাই চিকিৎসকের আপত্তি উড়িয়ে মাঠে নামলেন ব্রাজিলীয় ফুটবল তারকা। আর অবনমনের লড়াই লড়তে থাকা স্যান্টোসকে গোল করে জেতালেন। একই সঙ্গে যেন নিজেকে প্রমাণের লড়াইও চলছে তাঁর। পরের বছর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সি পরার জন্য মরিয়া তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে নেইমার। পরের বছর বিশ্বকাপে ব্রাজিল কোচ কার্লো অ্যানচেলোত্তি যে দল পরিকল্পনা করছেন, তাতে নেইমারের জায়গা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। দুই বছরের বেশি সময় তাঁর গায়ে বিখ্যাত হলুদ জার্সি ওঠেনি। যোগ্যতা অর্জন পর্বে ডাক পাননি। ক্রমাগত ভোগাচ্ছে চোট–আঘাতের সমস্যা। এক ম্যাচে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও পরের ম্যাচে চোটের জন্য মাঠে নামতে পারছেন না।
এই পরিস্থিতিতে স্পোর্ট রেসিফের বিরুদ্ধে স্যান্টোসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। অবনমন আতঙ্কে ভুগছে স্যান্টোস। এই ম্যাচে নেইমারের খেলা নিয়েও সংশয় ছিল। চোট নিয়ে ম্যাচ খেলায় চিকিৎসকরা আপত্তি করেছিলেন। সেই সব উড়িয়ে মাঠে নামলেন তিনি। ম্যাচের প্রথম গোলটিও করলেন। শেষ পর্যন্ত স্যান্টোস জিতল ৩–০ গোলে। অবনমন আতঙ্কও কাটিয়ে উঠল তারা। কিন্তু এর পরেও ব্রাজিল দলে কী জায়গা হবে নেইমারের? ব্রাজিলের বর্তমান অধিনায়ক মারকিউনোস বলেছেন, ‘নেইমারের কাজটা সহজ নয়। যদি ও ফিট থাকে, ফর্ম ফিরে যায়, তাহলে কামব্যাক হতে পারে। আমি আশা করব, নেইমার ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবে।’
