আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। খেলা হবে জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়ায়। টুর্নামেন্টের জন্য আম্পায়ার এবং ম্যাচ রেফারিদের নামের তালিকা প্রকাশ করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। ১৩টি দেশের ১৭ জন আম্পায়ার এবং চার জন ম্যাচ রেফারি, মোট ২১ জন দায়িত্বে থাকবেন ছোটদের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি পরিচালনার। তালিকায় ভারতের দু’‌জন রয়েছেন।


আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলানোর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আম্পায়ারদেরই ছোটদের বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আম্পায়ারদের তালিকায় অন্যতম নাম জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার ফরস্টার মুটিজওয়া। এছাড়াও জিম্বাবোয়ে থেকে আম্পায়ার হিসাবে থাকছেন ইনো চাবি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডাইটন বাটলার, ইংল্যান্ডের গ্রাহাম লয়েডও রয়েছেন তালিকায়। ছোটদের বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসাবে দেখা যাবে ভারতের বীরেন্দ্র শর্মাকে।


১৭ জন আম্পায়ারের তালিকায় এছাড়াও রয়েছেন আহমেদ শাহ দুরানি (আফগানিস্তান), এডেন সিভার (আয়ারল্যান্ড), কোরি ব্ল্যাক (নিউজিল্যান্ড), ফয়জল আফ্রিদি (পাকিস্তান), লুবাবালো গুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা), মাসুদুর মুকুল (বাংলাদেশ), নীতিন ভাটি (নেদারল্যান্ডস), প্রগিথ রামবুকওয়েলা (শ্রীলঙ্কা), রাসেল ওয়ারেন (ইংল্যান্ড), শন হেগ (নিউজিল্যান্ড), শন ক্রেগ (অস্ট্রেলিয়া), জাহিদ বাসারথ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
চার জন ম্যাচ রেফারি হলেন ডিন কোসকার (ইংল্যান্ড), প্রকাশ ভাট (ভারত), গ্রেম লেব্রয় (শ্রীলঙ্কা) এবং নিয়ামুর রাহুল (বাংলাদেশ)।


এদিকে, ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করে আইসিসির সিইও সঞ্জয় গুপ্তা বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ উঠতি প্রতিভাদের কাছে একটি দুর্দান্ত সুযোগ। যারা ক্রিকেটকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটা উঠতি আম্পায়ার এবং ম্যাচ অফিসিয়ালদের জন্য দারুণ সুযোগ। আশা করছি, কর্মজীবনে ওঁদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা উপযুক্ত একটা মঞ্চ তৈরি করে দিতে পেরেছি।’‌ 

এদিকে, তিলক বর্মার বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে রয়েছে সংশয়। অস্ত্রোপচারের পর তিলকের সেরে উঠতে বেশ কিছুদিন লাগবে। বিবৃতিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (‌বিসিসিআই)‌ এই খবর জানিয়েছে। যদিও এখনও কোনও পরিবর্ত ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেনি বোর্ড। এখনও অবধি যা জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধ টি–২০ সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।

বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, তিলক এখন স্থিতিশীল। শুক্রবার রাজকোট থেকে হায়দরাবাদে ফিরবেন। সব উপসর্গ মিলিয়ে গেলে তিনি রিহ্যাব শুরু করবেন। ঝুঁকি না নিয়ে প্রথম তিনটি টি–২০ ম্যাচে তাঁকে খেলানো হবে না। এর পর ধীরে ধীরে দক্ষতাবৃদ্ধির অনুশীলন করবেন তিনি। তাতে চিকিৎসকরা সন্তুষ্ট হলে ক্রিকেটে ফেরানো হতে পারে। এর অর্থ তিলকের টি–২০ বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তিনি না পারলে হয়ত স্কোয়াডে ঢুকবেন শুভমান গিল।