আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্যাট কামিন্স এখনও সুস্থ নন। কবে তিনি সানরাইজার্সের জার্সিতে নামতে পারবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঈশান কিষানকে। ফ্রাঞ্জাইজির এই সিদ্ধান্তে খুশি নন যুবরাজ সিং। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শিষ্য অভিষেক শর্মাকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
যুবি ছাড়াও অনেকেই ভেবেছিলেন সম্ভবত অভিষেককেই নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। এই তালিকায় যুবরাজ সিংও আছেন। যিনি কয়েক বছর ধরে অভিষেককে কোচিং করিয়েছেন। যদিও যুবির আশা, ঈশান ও অভিষেকের মধ্যে সম্পর্ক এই সিদ্ধান্তের পরেও ভালই থাকবে।
তবে যুবি এই ঘটনার সঙ্গে ২০০৭ সালের কথা স্মরণ করেছেন। বলেছেন, ২০০৭ সালেও হরভজন, বীরু বা আমি সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও অধিনায়ক করা হয়েছিল ধোনিকে। যুবির কথায়, ‘আমি বেশ হতাশ। ঈশান কিষানকেও আমি ভালবাসি। ভারতীয় ক্রিকেটে ওর উন্নতি বেশ চমকপ্রদ। এখানে একটা কথা আমি বলব। বিশ্বকাপের আগেই দলে এসেছিল অভিষেক শর্মা। রাজ্য দলের হয়েও জিতেছে। এরপর টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছে। রান করেছে। ভারত জিতেছে। একটি ফ্রাঞ্চাইজিতে দীর্ঘদিন খেলার পরেও সেই ক্রিকেটার যদি অধিনায়কের দায়িত্ব না পায় তাহলে সে মোটিভেট হবে কীভাবে? তবে অভিষেকের সঙ্গে ঈশানের সম্পর্ক ভাল।’
এরপরেই ২০০৭ সালের সেই কথা তুলে ধরেছেন যুবি। বলেছেন, ‘ভারতীয় দলে তখন সিনিয়র হিসেবে ভাজ্জি, আমি ও বীরু ছিলাম। আমি ছিলাম সহ অধিনায়ক। কিন্তু ধোনিকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। তখন মনে হয়েছিল ও হয়ত দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্যই জন্মেছে। বাকিটা তো ইতিহাস।’
যুবরাজ আরও বলেছেন, ‘সানরাইজার্স যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে। এখন এগিয়ে যেতে হবে। আমি অভিষেককে বলেছি ভেঙে পড়ো না। দলের সঙ্গে থাকো। অধিনায়ককে সমর্থন করো।’
এদিকে, আমেরিকা–ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত পরিস্থিতিতে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়েছে। আর সঙ্কট বাড়তেই দামও বেড়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। পাকিস্তানে তো এক লিটার পেট্রল সেখানকার টাকায় ৪৫৮ টাকা হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় দুর্ভোগের শিকার সাধারণ মানু্ষ। আর এই পরিস্থিতিতে, সরকারের বিরোধিতা নয়, দেশের জনগণের কাছে সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আর্জি জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি।















