আজকাল ওয়েবডেস্ক: লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিন অ্যালেনের বিতর্কিত আউট নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বৃহস্পতিবার ইডেনে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল কেকেআরের। সেখানেই কেকেআর ওপেনার ফিন অ্যালেনের ক্যাচকে ঘিরে এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে প্রিন্স যাদবের বলে টপ-এজ করেন অ্যালেন। বলটি থার্ড ম্যানে দাঁড়ানো দিগ্বেশ রাঠির হাতে যায়। তিনি ক্যাচ ধরলে ফিল্ড আম্পায়ার টিভি আম্পায়ারেরও সাহায্য নেননি।
তিনি সোজা আউট দেন অ্যালেনকে। তবে ক্যাচ নেওয়ার সময় তাঁর পা বাউন্ডারি লাইনে লেগেছিল বলে রিপ্লেতে দেখা যায়। তবুও সংক্ষিপ্ত রিভিউয়ের পর থার্ড আম্পায়ার কে এন অনন্ত পদ্মনাভন অ্যালেনকে আউট ঘোষণা করেন।
ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে কেকেআরের ড্রেসিংরুম। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সাধারণত আরও বিস্তারিতভাবে রিপ্লে দেখা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে তা হয়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ।
পাওয়েল বলেন, ‘অ্যালেন যখন আউট হয়ে ফিরে আসে, তখন আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। আইপিএলে বেশিরভাগ ঘটনায় ফিল্ড আম্পায়াররা থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নিয়েছেন। হয়তো এটা ভুল হতে পারে, কিন্তু আমরা এটাকে ম্যাচ হারের অজুহাত হিসেবে দেখছি না।’
রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, ক্যাচ নেওয়ার সময় দিগ্বেশ রাঠির বাঁ পা বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করেছিল, যা নিয়ম অনুযায়ী ‘নট আউট’ হওয়ার কথা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ক্ষোভ উগরে দেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
অনেকেই আইপিএলের আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনের উইকেট পড়ে যাওয়ায় কেকেআরের ব্যাটিংয়ে প্রভাব পড়ে। পাওয়েল জানান, এই ধরনের সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফল ও পয়েন্ট টেবিলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
মুকুল চৌধুরী, এই একটা নামই কাফি। গোটা ইডেন যখন একপ্রকার বিজয়োল্লাসে মেতে উঠেছে সেই পরিস্থিতিতে একা হাতে খেলা ঘুরিয়ে দিলেন মুকুল। জিতিয়ে ফিরলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসকে।
২৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত রইলেন মুকুল। ম্যাচটা এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল যখন মনে হচ্ছিল এদিন জয় নিয়েই ইডেন ছাড়বে কেকেআর। সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিলেন মুকুল।
শেষের দিকে উল্টোদিকে থাকা আবেশ খানকে মুকুল খেলতে দিলেন মাত্র তিন বল। নিজের ওপর পুরো আত্মবিশ্বাস রেখে শেষ তিন ওভারে একা হাতে ম্যাচ বের করলেন, যার প্রশংসা করলেন রাহানেও। স্বীকার করে নিলেন, মুকুলের ইনিংসটাই তফাৎ গড়ে দিয়েছে।















