আজকাল ওয়েবডেস্ক: নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএল ফাইনালের টস হয়ে গেল। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিল আরসিবি। রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাতিদার।
প্রথম একাদশে কোনও বদল নেই আরসিবির। অর্থাৎ, প্রথম কোয়ালিফায়ারের টিমই খেলবে এদিন। অন্যদিকে, শুভমান গিল জানান, টস জিতলেও তিনি প্রথম ব্যাটই করতেন।
হাইভোল্টেজ ম্যাচে বড় রান করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চান তিনি। গুজরাট টাইটান্সের দলে একটি বদল রয়েছে। সাই কিশোরের জায়গায় খেলছেন আর্শাদ খান।
আইপিএলের ফাইনালে রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। গত বছর এই একই ভেন্যুতে পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএল শিরোপা জিতেছিল রজত পাতিদারের নেতৃত্বাধীন আরসিবি।
এবারও ট্রফি নিজেদের রাখার লক্ষ্যেই মাঠে নামছেন বিরাট কোহলিরা। পরপর দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে আরসিবির কাছে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২২ সালে আইপিএল অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া গুজরাট টাইটান্স দ্বিতীয়বারের জন্য শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। ফলে দুই দলের লড়াই ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।
ফাইনাল ম্যাচের আগে নজর রয়েছে আহমেদাবাদের আবহাওয়ার দিকেও। অ্যাকুওয়েদারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা মাত্র ৫ শতাংশ, ফলে পুরো ৪০ ওভারের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
দিনের বেলায় তাপমাত্রা প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। তবে সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যার দিকে তাপমাত্রা কমে প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পিচ রিপোর্ট অনুযায়ী, উইকেট ব্যাটারদের জন্য বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
লাল মাটির এই পিচে সাধারণত ভাল বাউন্স ও ক্যারি পাওয়া যায়, যা ব্যাটারদের স্বচ্ছন্দে শট খেলতে সাহায্য করে। অতীতে এই মাঠে একাধিক হাই স্কোরিং ম্যাচ দেখা গিয়েছে।
সে কারণে আরসিবি ও গুজরাটের ফাইনালেও বড় রানের লড়াইয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে নতুন বলে পেসাররাও কিছুটা সুবিধা পেতে পারেন। তবে ম্যাচ যত এগোবে, ব্যাটিং তত সহজ হয়ে উঠতে পারে।
আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, ফাইনাল ম্যাচে অতিরিক্ত ১২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকে, যাতে বৃষ্টির কারণে বিলম্ব হলেও খেলা শেষ করা সম্ভব হয়। প্রয়োজনে ম্যাচের ওভার সংখ্যা কমানো হবে এবং ডাকওয়ার্থ–লুইস (ডিএলএস) পদ্ধতিতে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে।
ফল নির্ধারণের জন্য উভয় দলকে অন্তত ৫ ওভার করে ব্যাট করার সুযোগ পেতে হবে। সেই শর্ত পূরণ হলেই সংক্ষিপ্ত ম্যাচেও ফল ঘোষণা করা যাবে।
ফাইনালের জন্য ১ জুন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। ৩১ মে কোনও বলই খেলা সম্ভব না হলে ম্যাচ সরাসরি পরের দিন অনুষ্ঠিত হবে। এমনকি খেলা শুরু হয়ে থেমে গেলেও, সেটি সেখান থেকেই পুনরায় শুরু করা হবে।
দুই দিনেই ম্যাচ না হলে কী হবে?
অত্যন্ত বিরল হলেও যদি ৩১ মে ও ১ জুন, দুই দিনেই ম্যাচ সম্পূর্ণ না হয়, তাহলে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে। সেই ক্ষেত্রে লিগ পর্বের পয়েন্ট টেবিল অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হবে। সেই হিসেবে শীর্ষে থাকা আরসিবি-ই খেতাব জিতবে।















