আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এখন যুদ্ধের সমতুল্য। এমনই অভিমত জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার। তিনি মনে করেন, ক্রীড়ার সঙ্গে রাজনীতি মিলিয়ে ফেলার খেসারত দিতে হচ্ছে। আবদুল্লা বরাবরই ক্রিকেট ভক্ত। জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর ধারণা, ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি মিশিয়ে ফেললে এই পরিণতি হতে বাধ্য। আবদুল্লা বলেন, 'আমরা স্পোর্টস এবং রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য রাখতে ভুলে গিয়েছি। বরাবরই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে যুদ্ধের সমতুল্য ধরা হয়। একটা সাধারণ ম্যাচ হিসেবে সেটাকে ধার্য করা হয় না।'
জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে সবসময় মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেই কারণেই বেশিরভাগ সময় বিতর্কের সূত্রপাত হয়। আবদুল্লা বলেন, 'আমরা যখন অন্য দেশের বিরুদ্ধে খেলি, তখন এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ হলেই অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা হয়। তখনই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন হওয়া কাম্য নয়। পাকিস্তান এই বিশ্বকাপে অংশ নেবে। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে খেলবে না।' ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে, বড় শাস্তির মুখে পড়তে হবে পাকিস্তানকে। সেই বিষয়ে অবগত করে দিয়েছে আইসিসি। কিন্তু এখনও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে সরাসরি কিছু জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ খেলার ছাড়পত্র পাওয়ার পরই শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেয় পাকিস্তান দল। বিতর্কের মাঝেই সোমবার লাহোরের হোটেল থেকে বিমানবন্দরে যেতে দেখা যায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের। একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সেখানে প্লেয়ারদের বিশ্বকাপের কিট পরে দেখা যায়। পাকিস্তান তাঁদের সব ম্যাচ কলম্বোতে খেলবে। তারমধ্যে রয়েছে নকআউটের ম্যাচগুলোও। পাকিস্তান ফাইনালে উঠেলে, সেই ম্যাচও কলম্বোতে হবে। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কের তিক্ততার কারণে ২০২৭ পর্যন্ত আইসিসি টুর্নামেন্টের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্তে বিশ্বক্রিকেটকে চমকে দেয় পাকিস্তান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে এর কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
