আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইসিসি এবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দল বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে। এখন খেলে ৯ দেশ। সেটা বাড়িয়ে ১২ করার চিন্তাভাবনা চলছে।
এর পাশাপাশি, ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনের পদ্ধতিও অল্প কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করে ফেলতে পারেন আইসিসি কর্তারা।
এটা ঘটনা, ওয়ানডে ও টি–২০–র পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটের প্রসার করতে চান জয় শাহরা। আর সে জন্যই নয় দলের পরিবর্তে ১২টি দলকে নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে। আর তা চূড়ান্ত হলে প্রতিটি পূর্ণ সদস্য দেশই অংশগ্রহণ করবে টেস্ট বিশ্বকাপে। এখন আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং আয়ারল্যান্ড বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে না। ১২টি দেশকে খেলার সমান সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে আইসিসির আগামী ত্রৈমাসিক বৈঠকে। যদিও এই বৈঠকের দিন এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি কর্তাদের মত, ক্রিকেটের মান উন্নত করতে হলে টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। এর পাশাপাশি আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং আয়ারল্যান্ড বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে না থাকায় বছরে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পায় না। তাই এই তিন দেশকেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। ২০২৭ সালের জুন থেকে যে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে, তা হতে পারে ১২ দলের।
এদিকে, আসন্ন ত্রৈমাসিক বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে ২০২৮ অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের পদ্ধতিও। টি–২০ ক্রিকেট হবে অলিম্পিক্সে। পুরুষ এবং মহিলা বিভাগে ছ’টি করে দল খেলার সুযোগ পাবে। অর্থাৎ, আইসিসির পূর্ণ সদস্য সব দেশ খেলতে পারবে না। আয়োজক হিসাবে আমেরিকার খেলা নিশ্চিত। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং ওসেনিয়ার চ্যাম্পিয়ন দলগুলিকে সুযোগ দিতে চায় আইসিসি। ষষ্ঠ দলকে বেছে নেওয়ার জন্য ২০২৭ সালে যোগ্যতা অর্জন প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারে আইসিসি। ক্রমতালিকার ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হবে দলগুলিকে। ক’টি দলকে নিয়ে প্রতিযোগিতা হবে, তা–ও ঠিক হতে পারে ওই বৈঠকে।
এখনও অবধি যা জানা যাচ্ছে, তাতে আগামী ২৫ থেকে ২৭ মার্চ দোহায় হওয়ার কথা আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠক। যদিও এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।















