আজকাল ওয়েবডেস্ক: মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিন। হাসপাতালের আইসিইউ-তে ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। এহেন ড্যামিয়েন মার্টিনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ড্যামিয়েন মার্টিন সম্পর্কে ইতিবাচক খবরটি দিয়েছেন তাঁর একসময়ের সতীর্থ অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।
২৬ ডিসেম্বর 'বক্সিং ডে' নামে পরিচিত। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এরকম অনেক বক্সিং ডে টেস্ট খেলছেন ড্যামিয়েন মার্টিন। সেই ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে বিশ্রামের সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন অস্ট্রেলিয়ান প্রাক্তন ক্রিকেটার। মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ড্যামিয়েন মার্টিন।
তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় গোল্ড কোস্ট হাসপাতালে। কোমায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন মার্টিন।
সবাই আশঙ্কা করছিলেন ড্যামিয়েন মার্টিনকে নিয়ে। কিন্তু বছরের শুরুতেই ড্যামিয়েন মার্টিনকে নিয়ে ভেসে আসে ভাল খবর।
কোমা থেকে জেগে ওঠেন ড্যামিয়েন মার্টিন। সেই খবর জানান অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেট কিপার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।
মার্টিনের একসময়ের সতীর্থ এবং বিশ্বজয়ী দলের সদস্য অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, ''ড্যামিয়েন মার্টিন সম্পর্কে আপডেট রয়েছে। বাড়ি ফিরে এসেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। দ্রুত সেরে ওঠার জন্য এখনও অনেক পথ বাকি আছে। ড্যামিয়েন মার্টিন ক্রিকেটবিশ্বকে ভালবাসা জানিয়েছে। সব সময়ে মার্টিনের পাশে ছিলেন ভক্তরা। তাঁরা নাগাড়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে গিয়েছেন মার্টিনকে। সবার ভালবাসায়, যত্নে এবং সমর্থনে মার্টিন এখন অনেকটাই সুস্থ। এই কয়েকদিন আগেও মার্টিন কোমায় আচ্ছন্ন ছিল। এখন ঘরে ফিরল।''
জীবনের সব থেকে কঠিন লড়াইটা একলাই লড়ে গেলেন ড্যামিয়েন মার্টিন।
অতীতে বাইশ গজের পৃথিবীতে বহু স্মরণীয় ইনিংস খেলেছিলেন ড্যামিয়েন মার্টিন। উইকেটে জমে যাওয়ার পরে অবলীলায় তিনি শট খেলতেন। বোলারকে মাঠের যত্রতত্র ফেলতেন। সেই ড্যামিয়েন মার্টিন বাড়ি ফিরে এলেন। স্বস্তিতে রাখলেন ক্রিকেটবিশ্বকে।
একেই বোধহয় বলে মিরাকল। দু'বারের বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ড্যামিয়েন মার্টিন। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে সৌরভ গাঙ্গুলির স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিলেন। রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে পার্টনারশিপে করেছিলেন ২৩৪ রান। তার মধ্যে তিনি নিজে করেছিলেন ৮৮ রান। নতুন বছরে ভেসে এল ভাল খবর। মার্টিন সবথেকে কঠিন লড়াই জিতে বাড়ি ফিরলেন।
