আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে উত্তেজনার ম্যাচ। আর্জেন্টিনা ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ হাসি হাসল। এদিকে ম্যাচের মধ্যে মেসি ও রেফারির মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা নিমেষে ভাইরাল হল।
প্রথমার্ধে লিওনেল মেসি পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের মনে হয়েছিল রেফারি তাঁর সঙ্গে যথাযথ সম্মান দিয়ে কথা বলছেন না।
আপাত ভদ্র, শান্ত মেসি কড়া কথা শুনিয়ে দিলেন রেফারিকে। তাঁর কথার ধরন যে পছন্দ নয়, তা পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন মেসি।
কেন মেজাজ হারালেন মেসি? ঘটনাটি ঘটে সুইজারল্যান্ডের একটি ফ্রি-কিকের ঠিক আগের মুহূর্তে।
🚨Lionel Messi to the Portuguese referee:
— Polymarket Sports (@PolymarketSport)
“Do not disrespect me” (per @FabrizioRomano) pic.twitter.com/r1RyrjDX7YTweet by @PolymarketSport
আর্জেন্টিনার ডিফেন্সিভ ওয়ালে থাকা মেসিকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেন পিনেইরো। কিন্তু রেফারির কণ্ঠস্বর ও অঙ্গভঙ্গি মেসিকে বিরক্ত করে বলে মনে করা হচ্ছে। এরপরই আর্জেন্টাইন তারকা জবাব দেন, ''আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন।''
তবে এখানেই বিষয়টি শেষ হয়নি। ফ্রি-কিক নেওয়ার পর টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায়, মেসি আবারও রেফারির সঙ্গে কথা বলছেন। ঠোঁটের নড়াচড়া দেখে মনে করা হয়, মেসির রাগ কমেনি।
তবে তিনি শান্ত ভাবেই কথা বলেন। তাঁর হাত পিছনে রাখা ছিল এবং তিনি উত্তেজিত না হয়ে সংযত আচরণ বজায় রাখেন।
মেসি ও রেফারির মধ্যে এই টেনশন ভাইরাল হয়ে যায়। পর্তুগালের ভিলা নোভা দে ফামালিকাও শহরে জন্ম জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর। ৩৮ বছর বয়সী এই রেফারিকে ইউরোপের অন্যতম প্রতিশ্রুতিমান রেফারি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
২০১৫ সালে তিনি পর্তুগালের শীর্ষ লিগে রেফারিং শুরু করেন এবং এক বছর পরই ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির স্বীকৃতি পান।
ইউরোপীয় ফুটবলে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন পিনেইরো। তিনি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগ এবং ২০২৫ উয়েফা সুপার কাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় দায়িত্ব পালন করেছেন।
এই অভিজ্ঞতার কারণেই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত রেফারিদের তালিকায় জায়গা পান তিনি। সেই রেফারিকেই মেসি বললেন, আমি কিন্তু আপনার সঙ্গে ভদ্র ভাবে কথা বলছি। আপনিও ভদ্র ভাবে আমার সঙ্গে কথা বলুন।















