আজকাল ওয়েবডেস্ক: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে রোববার হায়দরাবাদে এলিট গ্রুপ–সি ম্যাচে বাংলার বিরুদ্ধে বিধ্বংসী এক ইনিংস খেললেন পাঞ্জাবের অভিষেক শর্মা।
মাত্র ৩২ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি রীতিমতো রেকর্ড বই কাঁপিয়ে দেন। প্রভসিমরন সিংয়ের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে অভিষেক প্রথম ১২ বলেই নিজের হাফ-সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলেন।
উল্টোদিকে যে সহজ বোলিং লাইন আপ ছিল তা কিন্তু একেবারেই নয়। বাংলার হয়ে বল করছিলেন মহম্মদ শামি এবং আকাশ দীপ। শক্তিশালী বোলিং লাইন আপকেও ধুয়েমুছে সাফ করে দেন অভিষেক।
শতরানের পথে অভিষেক মারেন ৭টি চার ও ১১টি ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ছিল ৩০০–এরও বেশি। এটি কোনও ভারতীয় ব্যাটারের করা তৃতীয় দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি।
মাত্র ২৮ বলে শতরানের রেকর্ডটি রয়েছে অভিষেক শর্মা ও উর্ভিল প্যাটেলের যৌথ দখলে। দুজনই ২০২৪ সালে এই কীর্তি গড়েছিলেন।
প্রভসিমরনকে সঙ্গে নিয়ে অভিষেক গড়েন সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপের রেকর্ড। দু’জনে মিলে ৭৬ বলে যোগ করেন ২০৫ রান।
যা সঞ্জু স্যামসন ও রোহান কুন্নুম্মালের করা ১৭৭ রানের পূর্ববর্তী রেকর্ডকে টপকে যায়। অবশেষে অভিষেক আউট হন ১৪৮ রানে, যা সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান।
২০২৪ সালে মেঘালয়ের বিপক্ষে করা তিলক ভার্মার ১৫১ রানই একমাত্র ওপরে রয়েছে অভিষেকের। তাঁর এই ঝোড়ো ইনিংসে পাঞ্জাব প্রথমে ব্যাট করে তোলে ৩১০ রান।
২০ ওভারে এই রান তোলা বাংলার পক্ষে একপ্রকার অসম্ভব ছিল। তাও শুরুতেও দ্রুততার সঙ্গে শুরু করেছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ।
শুরুতেই ওপেনার অভিষেক পোড়েল এবং করণ লালকে হারানোর পর তিন নম্বরে নেমে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন তিনি। ৬৬ বলে ঈশ্বরণ করেন ১৩০ রান।
কিন্তু মহাজাগতিক কোনও ইনিংস ছাড়া এই বিপুল সংখ্যক রান তাড়া করা সম্ভব ছিল না। বাংলাকে থামতে হয় ১৯৮ রানে। ঈশ্বরণ ছাড়া একমাত্র আকাশদীপ ৭ বল খেলে ৩১ রান করেন।
বাকি ব্যাটাররা কেউ দুই অঙ্কের রানেও পৌঁছতে পারেননি। পাঞ্জাবের হয়ে চার উইকেট নেন হরপ্রীত ব্রার। ম্যাচে পাঞ্জাব জিতলেও সংবাদ শিরোনামে অভিষেক শর্মাই। একা হাতে প্রথম ২০ ওভারেই ম্যাচের ফলাফল লিখে দিয়েছিলেন তিনি।
