আজকাল ওয়েবডেস্ক: অসমে বিধানসভা নির্বাচন এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে এক দফায় অনুষ্ঠিত হতে পারে। নির্বাচন কমিশন মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ঘন্ট ঘোষণা করতে পারে বলে সূত্রের খবর।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে বিজেপি হ্যাটট্রিক করার চেষ্টা করলেও, কংগ্রেস অসমে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালাবে। উল্লেখ্য, অসম এক সময়ে হাত শিবিরের দুর্গ ছিল।
সূত্র জানিয়েছে, বিজেপি তাদের দুই'বারের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকেই মুখ করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সূত্র জানিয়েছে, পদ্ম শিবির দলের নীচু তলার নেতা, কর্মীদের থেকে জানতে পেরেছে যে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার জনপ্রিয়তা রাজ্যজুড়ে তুঙ্গে রয়েছে। যা কাজে লাগিয়ে ভোট বৈচরণী পারের চেষ্ঠায় গেরুয়া বাহিনী।
বিজেপি অসমের জন্য তাদের প্রচার পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির প্রতি সমর্থন আদায়ে রাজ্যজুড়ে একাধিক সমাবেশ করতে পারেন।
প্রচারে বিজেপি যে মূল বিষয়গুলিতে জোর দেবে সেই তালিকায় রয়েছে, সীমান্ত পার অনুপ্রবেশ, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্প, নারী ক্ষমতায়ন এবং হিন্দুত্ববাদ প্রচার।
এছাড়াও বিজেপি, অসমে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকেও তুলে ধরতে মরিয়া। সোমবারই প্রাক্তন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বোরাহ তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন দলের হাইকমান্ডের কাছে। যদিও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তিনি তা প্রত্যাহার করে নেয়। ভূপেন বোরাহ সাংসদ তথা বর্তমানে অসম কংগ্রেসের সভাপতি গৌরব গগৈ-কে নিশানা করেন। ভূপেন বোরহার দাবি করেছিলেন, অপমানের জেরেই তাঁর দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার কারণ।
ড্যামেজ কন্ট্রোলে ব্যস্ত কংগ্রেস। গৌরব গগৈ বলেছেন যে, কোনও ভুল হলে তিনি ক্ষমা চাইবেন এবং বোরাহকে "সম্পদ" বলে অভিহিত করেছেন। বিজেপি এখন এই 'নাটকটি' তুলে ধরে গগৈয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ তীব্র করার পরিকল্পনা করছে।
বিজেপি সূত্রে খবর, দল এবার বিরোধী আন্দোলন মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করছে। ফলে বেশ কয়েকজন বর্তমান বিধায়ক ভোটের লড়ার টিকিট নাও পেতে পারেন।
