আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্ট্রোক- প্রতিরোধ , প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ২৯ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস। স্ট্রোক হল একটি মেডিকেল জরুরী অবস্থা। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। এটি গুরুতর দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতার কারণ হতে পারে। অবিলম্বে চিকিৎসা না করা হলে এর ফল মারাত্মক হতে পারে। এই বিশেষ দিনে বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ নেওয়া হয় সচেতনতা বাড়াতে। স্ট্রোকের ঝুঁকির কারণ, সতর্কতা সঙ্কেত এবং চিকিৎসার বিকল্প সম্পর্কে শিক্ষিত করে স্ট্রোকের প্রভাব কমানোর চেষ্টাই হল এই বিশেষ দিন উদযাপনের উদ্দেশ্য। বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২৩ এর থিম হল "একসঙ্গে আমরা স্ট্রোকের চেয়ে বড়"। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন ৭টি স্ট্রোক প্রতিরোধী জীবনধারা সম্পর্কে। সেগুলো কী কী ? ধূমপান কমানো বা না করা নিয়মিত ব্যায়াম করা কম ক্যালোরির স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা কোলেস্টেরলের মাত্রা নির্দিষ্ট রাখা ওজন অতিরিক্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা চিকিৎসকরা দৃঢ়ভাবে জীবনযাত্রার এই পরিবর্তনগুলির উপরে জোর দেন। যা স্ট্রোকের ঝুঁকির কারণগুলিকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। এই বিষয়গুলি একজনের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং জীবনের মানকে যথেষ্ট প্রভাবিত করতে পারে৷ কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য উন্নত করার জন্য, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এই ৭টি সিম্পল মেট্রিক তৈরি করেছে।
Health: 'একজোটে লড়াই করলে হেরে যাবে স্ট্রোক'- এটাই হোক বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের অঙ্গীকার!
















