শীতে ঠান্ডা পড়তে শুরু করলে গরম খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় চিকিৎসকরাও ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন। আপনি যদি প্রতিদিন সকালে আপনার বাচ্চাকে একটি করে দেশি ডিম খেতে দেন, তবে শরীর উষ্ণ থাকে এবং সর্দি–কাশি–জ্বরের সমস্যা কাছেও আসে না।

নকল ডিম দেশির নামে বিক্রি

কিন্তু আপনি কি জানেন, অনেক সময় আসল বলে নকল ডিমও বিক্রি করা হয়? সম্প্রতি এমন বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে চা–পাতার রং ব্যবহার করে নকল ডিমকে দেশি ডিম দেখিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল।

দেশি ও সাধারণ ডিমের পার্থক্য

বিশেষজ্ঞ রাকেশ চৌকসে জানান, দেশি ডিমের কুসুমের রং বেশ গাঢ় হয়, আর ফার্ম বা হ্যাবিট ডিমের কুসুম অপেক্ষাকৃত হালকা বা সাদা। দেশি ডিমের দাম সাধারণত বেশি—এ কারণেই নকল ডিমকে দেশি সাজিয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়।

ফার্মের ডিম আকারে বড় হয়। কেউ যদি চা–পাতা বা রং লাগিয়ে আপনাকে ডিম বিক্রি করে, তাহলে আপনি সহজেই তা ধুয়ে বা নুন–মেশানো জলে ভিজিয়ে আসল–নকল চিনে নিতে পারেন। আসল ডিম থেকে কোনও রং বেরবে না, কিন্তু নকল ডিম থেকে রং ছড়িয়ে যেতে থাকবে।

শীতে ডিমের চাহিদা বাড়ে

ঠান্ডার সময় ডিমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এতে প্রোটিন প্রচুর পরিমাণে থাকে বলে ডাক্তাররাও নিয়মিত খেতে বলেন। যদি আপনি বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য দেশি ডিম কিনতে চান, তবে  তিনটি উপায়ে খুব সহজে বুঝতে পারবেন ডিমটি আসল দেশি নাকি নকল।

নকল ডিম চিনবেন যেভাবে
বাজারে প্রায়ই সাধারণ ডিমকে রং লাগিয়ে দেশি দেখিয়ে বিক্রি করা হয়। বেশি দাম হওয়ায় দেশি ডিমের চাহিদা বেশি, আর সাদামাটা ডিমের দাম কম। তাই অনেকেই সিঁদুর, চা–পাতা বা রং ব্যবহার করে সাধারণ ডিমকে দেশি সাজিয়ে বিক্রি করেন। নিচের তিনটি সহজ উপায়ে তা শনাক্ত করা যায়—
কুসুমের রং দেখুন – দেশি ডিমের কুসুম খুব গাঢ় হয়।
ওজন দেখুন – দেশি ডিম তুলনামূলক হালকা।
গরম জলে পরীক্ষা করুন – ডিম গরম জলে ডুবিয়ে দেখুন। যদি রং ছাড়ে, বুঝবেন ডিম নকল। দেশি ডিমের আকার সাধারণত ছোট হয়—প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম।