আজকাল ওয়েব ডেস্কঃ সন্ধ্যায় বেড়িয়ে ঠাকুর দেখে ভোরবেলা বাড়ি ফিরেছেন।পুজো শেষে দেখলেন চোখের নিচে ঘোর কালি পড়েছে।চোখের চারপাশের চামড়া কুঁচকে চোখের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেছে।অপর্যাপ্ত ঘুম, খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম ও স্ট্রেস থেকে ডার্ক সার্কেলের সমস্যা বাড়ে যা আপনার চোখের সৌন্দর্যে বাধ সাধে।রোজকার দৌড়ঝাঁপ এবং কাজের চাপেল চোখের নীচের মোছার জন্য বাজার চলতি বহু আন্ডার আই ক্রিম ব্যবহার তো করছেন।তাতে কোনও ফল মিলছে না? অথচ বেরিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার টাকা?তাহলে এবার একটু ঘরোয়া টোটকা দিয়েই চেষ্টা করে দেখুন।
একটি পাত্রে এক চামচ করে কফি, নারকেল তেল ও অ্যালোভেরা জেল একসঙ্গে নিন।ভাল মত মিশিয়ে মিশ্রণটি চোখের চারপাশে লাগিয়ে দু'মিনিট ম্যাসাজ করুন।রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই পদ্ধতিকে জীবনের রুটিনে সামিল করে নিন।আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে নিমেষেই।
শুধু ওজন কমাতে বা নিজেকে রিফ্রেশ করতে নয়,টি ব্যাগে দূর হয় চোখের কালো দাগও।এতে রয়েছে ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান যা রক্তনালি সংকুচিত করে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।তাই টি ব্যাগ দিয়েই চোখের ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে পারে।প্রথমে গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি-র দুটি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে দিন।১৫ মিনিট পর সেই টি ব্যাগ দুটি বের করে চোখের উপর রাখুন।এইভাবে নিমেষে কমবে চোখের নীচের কালো দাগ ও ফোলা ভাব।
কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েলই করবে বাজিমাত। আমন্ড অয়েল নিয়ে চোখের নীচে বুলিয়ে নিন।সেই ভাবেই শুয়ে পড়ুন।সকালে উঠে ধুয়ে নিলেই কেল্লাফতে।ভিটামিন ই সমৃদ্ধ এই তেলের ছোঁয়ায় চোখের নীচের ত্বক হবে কোমল।মিলিয়ে যাবে কালচে দাগও।
কাঁচা দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড উপাদান ত্বককে ভিতর থেকে এক্সফলিয়েট করে।ত্বকের মৃত কোষ দূর হয়ে ত্বক ঝলমলে হয়।তাই কাঁচা দুধ দিয়েও আপনি ডার্ক সার্কেল দূর করতে পারেন।এর জন্য কটন প্যাড বা বল দুধের মধ্যে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।তারপর তা দুই চোখের উপরে রেখে দিন।১৫ মিনিট পর সরিয়ে নিন।এতেই ডার্ক সার্কেল দূর হবে।কমবে চোখের ফোলা ভাবও।
