বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল গয়নার জগতে এখন একটাই নাম, ‘ওশন ড্রিম’। নীল-সবুজ রঙের এই বিরল হিরেটি শুধু তার সৌন্দর্যের জন্য নয়, আকাশছোঁয়া দামের কারণেও চর্চায়৷
জেনেভায় ক্রিস্টিজের ‘ম্যাগনিফিসেন্ট জুয়েলস’ নিলামে ওঠা এই হিরের সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ৮৫ কোটি থেকে ১২২ কোটি টাকার মধ্যে। পরে সেটি প্রায় ১৭.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে, অর্থাৎ ১৪০ কোটিরও বেশি টাকায় বিক্রি হয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে।
‘ওশন ড্রিম’ বিশ্বের বৃহত্তম ‘ফ্যান্সি ভিভিড ব্লু-গ্রিন’ হিরে হিসেবে পরিচিত। ৫.৫০ ক্যারেটের এই হিরেটি মধ্য আফ্রিকায় ১৯৯০-এর দশকে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর গভীরে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে প্রাকৃতিক বিকিরণের প্রভাবে এর অনন্য নীল-সবুজ আভা তৈরি হয়েছে। এই রঙের হিরে অত্যন্ত বিরল হওয়ায় সংগ্রাহকদের কাছে এর মূল্য অপরিসীম।
হিরেটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে এর ত্রিভুজাকার কাট এবং আধুনিক রিং ডিজাইন। চারপাশে সাদা হিরের কারুকাজ এমনভাবে বসানো হয়েছে যে মূল পাথরটি আঙুলের উপরে ভাসছে বলে মনে হয়।
২০০৩ সালে ওয়াশিংটনের স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হওয়ার পর থেকেই এটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় ছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রঙিন হিরের চাহিদা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ধনী সংগ্রাহকরা এখন এগুলিকে শুধু অলঙ্কার নয়, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবেও দেখছেন। আর সেই কারণেই ‘ওশন ড্রিম’ আজ শুধুমাত্র একটি হিরে নয়, বিলাসিতা এবং সংগ্রাহকদের স্বপ্ন।















