নিজস্ব সংবাদদাতা: আগামী ২ ডিসেম্বর, ২০২৩, সত্যজিৎ রায় প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হবে "আনন্দধারা", সুচিত্রা মিত্র ও কণিকা বন্দোপাধ্যায় স্মরণে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন বাচিক শিল্পী সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। সেদিন শহরে অনুষ্ঠান করতে আসছেন শ্রেয়া ঘোষাল। তবু, "আনন্দধারার" সময় বদলাননি সুজয়। এই প্রজন্মের সঙ্গে রবীন্দ্র ঘরানার দুই মহীরূহকে পরিচয় করিয়ে দিতে মরিয়া তিনি।
শতবর্ষে পা রাখছেন কণিকা। তাই এত আয়োজন। এই দু"জন রবীন্দ্র সাধিকার নিজস্ব দর্শন ছিল। নিজগুণেই তাঁরা রবীন্দ্রগান জনপ্রিয় করেছেন।তাঁদের জীবনবোধ আলাদা ছিল ঠিকই। কিন্তু এই এক শিল্প মাধ্যমে তাঁরা সমর্পণ করেছেন নিজেদের।
আজকাল ডট ইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সুজয় জানালেন, ""আমি জেন-জি নয়। অত্যন্ত দুঃসাহসের সঙ্গে শ্রেয়া ঘোষালের কনসার্টের দিন আমি আনন্দধারা আয়োজন করছি। টিকিট বিক্রি হয়নি তবু আমি অনুষ্ঠান করছি। তার একটাই কারণ, এই প্রজন্ম যাতে এঁদের ভুলে না যায়। রবীন্দ্রনাথের গান এখন প্রদর্শনের বিষয় হয়েছে। যেটা এই মানুষ দুটোর মধ্যে ছিল না। অথচ এরা কিন্তু কম আধুনিক ছিলেন না।""
রবীন্দ্রযাপনে চৌখস ছিলেন সুচিত্রা মিত্র। আবার কণিকা বন্দোপাধ্যায় শান্তিনিকেতনে একটি পরম্পরা সৃষ্টি করেছিলেন। সেটার গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল রবীন্দ্রদর্শন। কণিকা ছিলেন আশ্রম বালিকা। আর রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বজনীন করার প্রয়াস করেছিলেন সুচিত্রা। কণিকার গানে আছে বিভঙ্গ, আর সুচিত্রার গানে দৃঢ়তা। তেমনটাই মনে করেন সুজয়। আর এই সবকিছুর সঙ্গেই নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করতে চান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জহর সরকার, ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়, রঞ্জিনী মুখোপাধ্যায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ঋতপা ভট্টাচার্য, শ্রাবণী সেন, জয়তী চক্রবর্তী, শ্যামলী আচার্য প্রমুখরা।
শতবর্ষে পা রাখছেন কণিকা। তাই এত আয়োজন। এই দু"জন রবীন্দ্র সাধিকার নিজস্ব দর্শন ছিল। নিজগুণেই তাঁরা রবীন্দ্রগান জনপ্রিয় করেছেন।তাঁদের জীবনবোধ আলাদা ছিল ঠিকই। কিন্তু এই এক শিল্প মাধ্যমে তাঁরা সমর্পণ করেছেন নিজেদের।
আজকাল ডট ইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সুজয় জানালেন, ""আমি জেন-জি নয়। অত্যন্ত দুঃসাহসের সঙ্গে শ্রেয়া ঘোষালের কনসার্টের দিন আমি আনন্দধারা আয়োজন করছি। টিকিট বিক্রি হয়নি তবু আমি অনুষ্ঠান করছি। তার একটাই কারণ, এই প্রজন্ম যাতে এঁদের ভুলে না যায়। রবীন্দ্রনাথের গান এখন প্রদর্শনের বিষয় হয়েছে। যেটা এই মানুষ দুটোর মধ্যে ছিল না। অথচ এরা কিন্তু কম আধুনিক ছিলেন না।""
রবীন্দ্রযাপনে চৌখস ছিলেন সুচিত্রা মিত্র। আবার কণিকা বন্দোপাধ্যায় শান্তিনিকেতনে একটি পরম্পরা সৃষ্টি করেছিলেন। সেটার গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল রবীন্দ্রদর্শন। কণিকা ছিলেন আশ্রম বালিকা। আর রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বজনীন করার প্রয়াস করেছিলেন সুচিত্রা। কণিকার গানে আছে বিভঙ্গ, আর সুচিত্রার গানে দৃঢ়তা। তেমনটাই মনে করেন সুজয়। আর এই সবকিছুর সঙ্গেই নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করতে চান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জহর সরকার, ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়, রঞ্জিনী মুখোপাধ্যায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ঋতপা ভট্টাচার্য, শ্রাবণী সেন, জয়তী চক্রবর্তী, শ্যামলী আচার্য প্রমুখরা।
















