অফিসে কাজের চাপে এতটাই ডুবে যান যে বাথরুমেও পর্যন্ত যান না? কিন্তু এ তো প্রাকৃতিক ডাক, তাও এড়িয়ে যান? মনের মধ্যে নানা হিসেব নিকেষ চলে? ডেস্ক ছেড়ে ওঠা ভাল দেখাবে কিনা, কতক্ষণ বাথরুমে কাটালেন, দিনে কতবার বাথরুমে গেলেন সেটার জন্য কেউ আপনাকে বিচার করছেন কিনা ভেবে ভেবে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন? সময়ের অপচয় করছেন ভেবে বসের কুনজরে পড়ার আতঙ্ক তাড়িয়ে বেড়ায়? তাই মূত্র চেপে কাজ করে যান? তাহলে অজান্তেই কাজের উপর এই প্রভাব ফেলছেন না তো? 

আগে জানা যাক কেন বাথরুম নিয়ে এই আতঙ্ক কাজ করে অফিসে? এটা আদতে সামাজিক আতঙ্কের রূপ। অনেকেই মনে করে তিনি ডেস্ক ছেড়ে বারবার উঠলে সেটা বস ভাল নজরে দেখবেন না। জাজ করবে। খানিকটা সচেতনতা যেন মিশে থাকে এই ভাবনায়। 

কখনও আবার অফিসের বাথরুমে ব্যবহার করতে চান না অনেকেই। গা ঘিনঘিন করে। ঘেন্না পান। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ভাবেন। ভাবেন অফিসের বাথরুমে ব্যবহারের ফলে যদি কোনও সংক্রমণ হয়। 

আর আপনি দীর্ঘ সময় বা রোজ রোজ বাথরুম চেপে রাখলে সেটা কিডনির উপর প্রভাব তো ফেলেই। একই সঙ্গে কাজেও ব্যাঘাত ঘটায়। মন বসানো যায় না। বাথরুম চেপে রাখার জন্য পেট ব্যথা হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। 

তাই অফিসে মাঝে মধ্যে বাথরুম ব্রেক নেওয়া জরুরি। তবে অফিসের বাথরুম ব্যবহার করতে যদি ঘেন্না লাগে, ভয় পান তাহলে ব্যবহারের আগে ভাল করে ফ্লাশ করে নিন। ব্যবহার করুন অ্যান্টি ইনফেকট্যান্ট স্প্রে। 
কর্মীদের পাশাপাশি, অফিসেরও উচিত বাথরুম পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। হ্যান্ডওয়াশ, স্প্রে, টিস্যুর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা।