বিশ্বজুড়ে নানা ধরনের অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী রেকর্ডের কথা মাঝেমধ্যেই শোনা যায়। কেউ কয়েক সেকেন্ডে শতাধিক ডিম ভাঙেন, কেউ আবার অদ্ভুত সব কসরত করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। এবার এমনই এক অভিনব রেকর্ড গড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন তুরস্কের এক যুবক। মাত্র এক মিনিটে ১০০টি ব্রার হুক খুলে তিনি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। এই ঘটনা সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জানা গিয়েছে, এই রেকর্ড গড়ার জন্য তাঁকে মাত্র ৬০ সেকেন্ড সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ের মধ্যেই একের পর এক ১০০টি অন্তর্বাসের হুক খুলতে হয়। কাজটি যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে ততটাই কঠিন। কারণ প্রতিটি হুক নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে খুলতে হয়েছে। কোনও ভুল হলে বা নিয়ম ভাঙলে সেই প্রচেষ্টা বাতিল হয়ে যেতে পারত।

রেকর্ড গড়ার সময় তাঁর হাতের গতি, আঙুলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ এবং মনোযোগ ছিল দেখার মতো। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে একের পর এক হুক খুলে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ করেন। এরপরই তাঁর নাম বিশ্বরেকর্ডের তালিকায় উঠে আসে।

এই ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন এবং নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ এই রেকর্ড দেখে হেসে ফেলেছেন, কেউ আবার এত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে কাজটি করার দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, এমন রেকর্ডের কথা আগে কখনও শোনেননি।

বিশ্বে এমন অনেক রেকর্ড রয়েছে, যা প্রথমে শুনলে অবাক লাগলেও সেগুলির জন্য প্রচুর অনুশীলন ও দক্ষতার প্রয়োজন হয়। এই রেকর্ডও তার ব্যতিক্রম নয়। মাত্র এক মিনিটে ১০০টি হুক খুলতে হাতের গতি, আঙুলের সমন্বয় এবং দীর্ঘ অনুশীলনের দরকার হয় বলে মনে করছেন অনেকেই।

এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, বিশ্বরেকর্ড মানেই শুধু খেলাধুলা বা শারীরিক শক্তির পরীক্ষা নয়। কখনও কখনও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের দক্ষতাও মানুষকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তুলতে পারে।

উল্লেখ্য, এই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এটি যে সংস্থার বিশ্বরেকর্ড, সেই সংস্থার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা বিস্তারিত তথ্য সব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাই বিষয়টিকে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে দেখা উচিত।