সকলের জীবনে স্ট্রেসের মাত্রা এক নয়। আবার সবাইকে স্ট্রেস একই ভাবে অ্যাফেক্ট করে সেটা নয়। সকলের ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো আলাদা, আর তাঁরা নিজেদের মতো করে সেটা হ্যান্ডেল করেন। যেমন স্ট্রেসড আউট হলে কেউ অতিরিক্ত খান, কেউ নিজেদের অনুভূতিগুলোকে অবহেলা করেন, কেউ আবার মন এবং মাথাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন। তবে কে কীভাবে স্ট্রেস সামলাবেন সেটা সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করে তাঁদের ব্যক্তিত্ব, বড় হয়ে ওঠার উপর। এমনকী জিনের উপরেও বিষয়টা খানিকটা নির্ভরশীল।
তবে এছাড়াও স্ট্রেস বলুন বা উদ্বেগ আরও একটি জিনিসের সঙ্গে জড়িত। জীবনের ৭ চক্র। মনে করা হয় শরীরের এনার্জি সিস্টেমের কিছু এনার্জি সেন্টার আছে, সেগুলোকেই বলা হয় চক্র। শরীরে এমন ৭টি চক্র আছে। এর মধ্যে একদম নিচের চক্রটি শিরদাঁড়ার নিম্নভাগে রয়েছে। আর আর সবার উপরের চক্র রয়েছে মাথায়। প্রতিটি চক্র আলাদা আলাদা শারীরিক, ইমোশনাল এবং মানসিক বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত। মূলধারা, স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর, অনাহত, বিশুদ্ধ, আজ্ঞা এবং সহস্রার- এই ৭ টি হল শরীরের ৭ চক্র। যখনই কোনও কারণ সেটা মানসিক চাপ বা সমস্যা হোক বা কোনও ট্রমা, তিক্ত অভিজ্ঞতা, খারাপ পরিবেশ, ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে কোনও ব্যক্তি যান তখন তাঁর শরীরের এই এনার্জি সেন্টারগুলো ব্লকড মনে হয়।
ধ্যান করে, নিজের কাজ মন দিয়ে করে, ইমোশনালি সচেতন থেকে সেটা ঠিক করা যায়। এনার্জি ফ্লো আবার স্বাভাবিক হয়।
তাই চাপ, দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে গেলে সেটা চেপে রাখার চেষ্টা করার বদলে বলে ফেলা বা সেটাকে অ্যাকনলেজ করা জরুরি। সেটা নিয়ে কথা বলে মেটানোর চেষ্টা জরুরি। যদি সেটা না করেন তাহলে স্ট্রেস শরীর, মনে জমতে থাকে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিন্তু এই বিষয়ে সচেতন থাকলে, সেটা নিয়ে কথা বললে স্ট্রেস বেরিয়ে যায়। মন, মাথা শান্ত হয়।
কোনও কাউন্সিলরের সাহায্য ছাড়া, নিজেই নিজেকে হিল করতে পারেন যদি নির ইমোশনের বিষয়ে সতর্ক হন, সেটাকে অ্যাভয়েড না করেন। এটা করলেই শরীরে ব্যালেন্স বজায় থাকে। এনার্জি ফ্লো স্বাভাবিক থাকে।















