আজকাল ওয়েবডেস্কঃ মনের হদিশ কেই বা জানে! সত্যিই কেউই জানে না কী থাকে যে মনের ঘরে। বোঝা না বোঝা, জানা অজানার মধ্যে দিয়ে চলে তার নিরন্তর অন্বেষণ। কখনও ভেবে দেখেছেন যে আমাদের প্রত্যেকের আসল ঘর তো এই মন। কিন্তু বাহ্যিক সৌন্দর্যে উৎসাহী হলেও ক'জনই বা মনের ভিতরটা সাজান! মনের সেই অজানা রহস্যই বিভিন্ন মানসিক অবস্থা এবং সঙ্কটের মূলে। আর এই মনকে বোঝার, জানার বা হদিশ পাওয়ার ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সাহস ও উদ্দীপনা যোগাবে এমনই এক বই 'অন্দরের ঘর বাইরের ঘর'। লেখক বিশিষ্ট মনোরোগ চিকিৎসক ডাঃ দেবাঞ্জন পান।
গত শনিবার অক্সফোর্ড বুকস্টোর-এর অডিটোরিয়ামে বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। বইটি নিয়ে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন সাইকোলজিস্ট জ্ঞানশ্রী মৈত্র, ডা. নির্মল ইন্দ্র, সাহিত্যিক বিনতা রায়চৌধুরী, কবি অদিতি বসু রায়, 'একাকী নই' সংস্থার কর্ণধার আইনজীবী রম্যাণী ঘোষাল, সাংবাদিক শ্যামশ্রী সাহা, ডা. দেবাঞ্জন পান এবং বইটির প্রকাশক ভাষা সংসদের কর্ণধার ও অনুবাদ পত্রিকার সম্পাদক সাহিত্যিক বিতস্তা ঘোষাল। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনায় দায়িত্বে ছিলেন অনুবাদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক বিবেক চট্টোপাধ্যায়।
অনুষ্ঠানে একাধিক ব্যক্তিত্বের আলোচনার মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে দর্শন-মনস্তত্ব-স্নায়ুবিজ্ঞান ও মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের মেলবন্ধনের কথা। বইটির প্রকাশক সাহিত্যিক বিতস্তা ঘোষাল এই মনোসামাজিক ও তার উৎকর্ষতা, মানুষের মনের ভাষার আদানপ্রদান নিয়ে এক মনোজ্ঞ বক্তব্য রাখেন। ডা. দেবাঞ্জন পানের আলোচনায় উঠে এসেছে, মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার কবোষ্ণ আলিঙ্গনের সময় বা পরিধির বিশ্লেষণ, নশ্বরতার অনুভব ও তার সঙ্গে মনোবিজ্ঞানের সম্পর্ক। একইসঙ্গে মানুষের পারস্পারিক জীবনে সহানুভূতি বা সহমর্মিতার অভাবের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। অনুষ্ঠানের সব শেষে ছিল এই মনোবৈজ্ঞানিক বিষয়ের একটি শ্রুতি নাটক ' এখন নয়, কখন'। পাঠ করেছেন ডা. দেবাঞ্জন পান ও বিবেক চট্টোপাধ্যায়।
