সোহা আলি খান জানিয়েছেন, একবার তিনি মাথার ত্বকে অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করেছিলেন। এর পর তাঁর স্ক্যাল্প লাল হয়ে গিয়েছিল৷ তাঁর মতে, “সম্ভবত আমার ত্বকের একটি স্তর পুড়ে গিয়েছিল।”

সোহা বলেন, শ্যাম্পু কেনার সময় যেমন আমরা কী কী উপাদান আছে তা দেখি, তেমনই চুলে কিছু লাগানোর আগেও জানা উচিত সেটি আসলে কী এবং সেটি আমাদের জন্য উপযুক্ত কি না।


সোহা আলি খানের পডকাস্টের একটি পর্বে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী কৃতিকা কামরা এবং হেয়ার স্টাইলিস্ট ইয়ান্নি তসাপাতোরি। সোহা কৃতিকার কাছে জানতে চান তিনি কীভাবে চুল পরিষ্কার করেন। এরপরই কথোপকথন চলে যায় স্ক্যাল্প হেলথ, ঘরোয়া তেল, হেয়ার মাস্ক এবং নানা ঘরোয়া উপায়ে চুলের যত্নের বিষয়।

 
হেয়ার এক্সপার্ট ইয়ান্নি বলেন, “কোনও একটি রেসিপি সবার জন্য কাজ করে না। চুল এবং স্ক্যাল্পে কী ব্যবহার করছি, সেটা বুঝতে হবে। তবেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এই ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতি আরামদায়ক বা থেরাপির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে তা কার্যকর নাও হতে পারে। অনেকেই চুলে ডিমের প্যাক লাগান৷ তবে বুঝতে হবে এটি সত্যিই চুলের উপকার করছে, নাকি শুধু ট্রেন্ড অনুসরণ করেই ব্যবহার করা হচ্ছে?


ইয়ান্নির মতে, নতুন কিছু চেষ্টা করা যেতে পারে, কিন্তু একবার ব্যবহার করে বুঝতে হবে সেটি কাজ করছে কি না। যদি উপকার না হয়, তাহলে শুধু প্রচলিত বলেই তা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।


কৃতিকা কামরা জানান, কোনও খাবার শরীরের জন্য ভালো হলেই তা চুলে লাগালে একই উপকার হবে—এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। কৃতিকা আরও বলেন, ছোটবেলা থেকে অনেক কিছু শেখানো হয়েছে, যার মধ্যে কিছু হয়তো বাস্তবে তেমন কার্যকর নয়। তিনি তেল মাখতেও খুব একটা পছন্দ করেন না। তাঁর মতে, এখন স্ক্যাল্প কেয়ারের জন্য আরও উন্নত অনেক পদ্ধতি রয়েছে।

তবে সোহা বলেন, তেল মাখা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মা ও সন্তানের মধ্যে এটি অনেক সময় ভালোবাসার একটি বন্ধনের মতো কাজ করে। যদিও তিনিও ছোটবেলায় তেল দেওয়ার পর শক্ত করে বেণী বাঁধার বিষয়টি অপছন্দ করতেন।