অসময়েই চুল পড়ে টাক হচ্ছে জেন জিদের। আগে যেখানে মধ্য ৩০ বা ৪০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরাই হেয়ার লসের চিকিৎসা করাতে যেতেন সেখানে বর্তমানে কিশোর বা ২০ -এর গোড়ার দিকের ছেলেরাও দ্রুত গতিতে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছে যাচ্ছেন। বিষয়টা যেমন চিন্তার, তেমনই আর এক দিকে এই সমস্যায় কোটি টাকার ব্যবসা দেখছেন ব্যবসায়ীরা। বিষয়টা কী? 

সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ৮২ মিলিয়ন শহরে থাকেন এমন ভারতীয় পুরুষরা হেয়ার লসের শিকার। এঁদের মধ্যে অধিকাংশ কিছুই করেন না। সেটা সামর্থ্য না থাকার কারণে হোক, বা অন্য কোনও কারণে। ৫৯ মিলিয়ন ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রাখেন। ১৬ মিলিয়ন শ্যাম্পু, সিরাম বদলে বদলে দেখেন কোনও উপকার পাওয়া যায় কিনা। ৫ মিলিয়ন হয়তো ডাক্তার দেখিয়ে কোনও ওষুধ ব্যবহার করেন।

যে সংখ্যক মানুষ হেয়ার লসের শিকার তার নামমাত্র অংশ চিকিৎসা করালেও সেই মার্কেটটাও মোটেই ছোট নয়। ২০২৪ সালে হেয়ার লস ট্রিটমেন্টের মার্কেট ছিল ২৮২ মিলিয়ন ডলার। মনে করা হচ্ছে, মাত্র এক দশকের মধ্যে সেই মার্কেট ৫৩৯ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। 

মূলত টায়ার ২ এবং টায়ার ৩ শহরের বাসিন্দারা চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছেন। রেজাল্ট পেলে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক মাস ধৈর্য ধরে দেখছেন যে উপকার পাচ্ছেন কিনা। আর এতে আখেরে লাভ হচ্ছে চুলের চিকিৎসা সংক্রান্ত স্টার্ট আপগুলোর। 

শত হলেও, চুল রূপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্ট্রেস, দূষণ, হরমোনাল সমস্যা বা অন্য কারণে যদি লাগাতার চুল পড়তে থাকে ক্রমাগত টাক তো পড়বেই, সঙ্গে দেখায় বদল আসবে। জেন জিদের অনেকেই যেই এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তখনই তাঁরা চিকিৎসার জন্য ছুটছেন।