আজকাল ওয়েবডেস্ক:
কর্মক্ষেত্র মানেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া একদিকে কাজের চাপ, উদ্বেগ, হতাশা । অন্যদিকে আনন্দ হৈহুল্লোড় আর নতুন নতুন উদ্ভাবন। প্রতিবছরই অফিসে কিছু না কিছু ভাষা বা পদ্ধতি ভাইরাল হয়ে ওঠে মুখে মুখেই।
যেমন ধরুন কোন কর্মচারী সারাদিন ডেস্কটপের সামনে বসে রয়েছেন। কী কাজ করছেন আপনি জানেন না। অথচ এপ্রাইজালের পরে খবর পেলেন তার মাইনে বেড়েছে। এক্ষেত্রে "দ্য লেজি গার্ল জব" টার্ম একবারে পারফেক্ট।
মনডে ব্লুস! এই শব্দটার সঙ্গে পরিচিত প্রায় সকলেই। সপ্তাহান্তে দেদার খানাপিনার পর সোমবারে অফিসে যেতে ভাল লাগে না। এদিন তো মনে হয় একটু কম কাজ করতে পারলেই ভাল। ভাইরাল হয়েছে "বেয়ার মিনিমাম মনডে"!
মনে করুন এমন একটা কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হলো যেটা আপনাকে আগে জিজ্ঞাসা করা হয়নি। হঠাৎ শুনলেন আপনাকে সেই কাজটি দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে, না বলার জায়গা নেই। সোশ্যাল মিডিয়ার ভাষায় আপনার সঙ্গে "ভলানটেলিং" হলো।
মেসেঞ্জার প্লাটফর্মে, কথা বলার সময় কেউ আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে চিন্তিত নয়। সেক্ষেত্রে আপনি সংকোচ না করে "হে হ্যাঙ্গিং" বলে কথোপকথন শুরু করতে পারেন।
নতুন চাকরি খুঁজছেন? সোশ্যাল মিডিয়ার ভাষায় একে বলে "কোয়াইট কাটিং"! অফিসের একঘেঁয়েমি কাজ পুরনো বস, সব নিয়ে আপনি পুরো ঘেঁটে গিয়েছেন। অফিসে আপনার কাজের দায়িত্ব কমিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এদিকে রোজ আপনার মানসিক চাপ বাড়ছে।
অফিস থেকে বাড়ি ফিরে আপনি বিধ্বস্ত। বালিশে মুখ চেপে কাঁদতে ইচ্ছা করছে আপনার। নেট পাড়ার ভাষায় এটি পোস্ট ওয়ার্ক রিস্ট্রেইন্ট কোলাপ্স।
অফিস করার এসব আধুনিক ভাষা ব্যবহার করতে পারেন আপনারাও। তবে, স্থান কাল পাত্র বিচার করতে ভুলবেন না।