আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, শনিবার রাতে আচমকা হামলার মুখে পড়েন। গভীর রাতে ফেসবুক লাইভে এসে জানান, 'মৃত্যুকে কাছ থেকে' দেখেছেন। জানালেন, তাঁর উপলব্ধি, 'রাখে হরি, তো মারে কে!'।

মধ্যরাতের লাইভে শোনালেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। একই সঙ্গে, যাঁরা তাঁকে ওই 'কঠিন' পরিস্থিতিতে উদ্ধার করেছেন, তাঁদের কৃতজ্ঞতাও জানান। পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণও করেন লাইভে এসেই।

হামল পরবর্তী লাইভে মদন বলেন, '১৪নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তাঁর সহকর্মীদের কাছে, যতদিন বাঁচব কৃতজ্ঞ।' দক্ষিণশ্বরের ওই এলাকার 'মা-বোনেদের' কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কামারহাটির বিধায়ক বলেন, তাঁরা প্রায় এক ঘণ্টা সমস্ত বাড়ির আলো নিভিয়ে, ঘুটঘুটে অন্ধকার করে তাঁকে বাঁচিয়েছেন। আনোয়ার বলে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেই, বিবরণ দিয়েছন শনিবার রাতের ঘটনার।

 মদন মিত্র বলেন, 'আমার বিধায়ক কার্যালয়ের দু'দিকে সরু রাস্তা। ওরা বেরিয়া যায় যখন, তখন বাজে ন'টা। কামারহাতি থেকে ওয়াসিম রাজা আর ভোলা শ্রীবাস্তব, এরা দু'জনে আমার কাছে এসে বলল, ২৩০-এর বাসের মালিকেরা আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাইছে...'

সেখানেই শুরু? মদন মিত্র জানান, 'যারা মারতে এসেছিল, তারা বুঝতে পারেনি, ওখানে একটা সরু গলি আছে।' তাঁর সংযোজন, আচমকা তাঁকে জানানো হয়, প্রায় এক-দেড়শ ছেলে মোটরবাইকে পৌঁছচ্ছে ঘটনাস্থলে। জানান, তাঁর আস্থাভাজনেরাই দাঁড়িয়ে ছিল তাঁর উলটোদিকে। বাকি ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন তিনি, জানিয়েছেন বর্তমান পরিস্থিতির কথা। একদিকে যেমন ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন, যাঁরা পাশে রইলেন তাঁদের প্রতি, তেমন প্রকাশ করলেন ক্ষোভও।