আজকাল ওয়েবডেস্ক: জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন, বিরোধী দলনেতার পরে বসেছেন বিক্ষুব্ধ, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এক ঋতব্রতর সঙ্গে রইলেন চার উপ দলীয় নেতা। এদিন বিধানসভার স্পিকার তাঁর হাতে বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবিও তুলে দেন। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বললেন, তাঁর ৫৮ বিধায়কের টিম, প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে চাইছেন মমতা ব্যানার্জিকেই। তাঁরা দফায় দফায় বসবেন বৈঠকে। ঠিক করবেন পরবর্তী রূপরেখা। সঙ্গেই স্পষ্ট বললেন, তাঁর টিম ৫৮ থেকে বেড়ে হবে ৬০। ৬০ জনের মধ্যে হতে পারে মতান্তর, কিন্তু মনন্তর হবে না কখনও। 

 

এদিন ঋতব্রত বলেন, 'আজ পর্যন্ত ৫৮জন বিধায়কের টিম, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত।' একই সঙ্গে জানান, এই ৫৮ জনের মধ্যে থেকে, তিন জেলার ২৪ বিধায়ক বুধে উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে। জানান, 'অষ্টাদশ বিধানসভার দায়িত্বশীল বিরোধী হিসেবে, আমরা যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করছি, আমরা দায়িত্বশীল, স্বতন্ত্র, গঠনমূলক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। হাউসের ভিতরে, বাইরে, লড়াই হবে। সরকার যদি সদর্থক ভূমিকা পালন করে, তার প্রশংসা করতে পিছপা হব না।'

 

কিন্তু প্রশ্ন ছিল, ঋতব্রতর তৃণমূল কি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল থেকে? মমতার প্রশ্নে আখরুজ্জামান বলেন, 'আমরা সকলেই তৃণমূলের বিধায়ক। আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।আমাদের তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।' নেত্রীর ডাকা বৈথকের উল্লেখ করেই তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস আজকের বাজারে হাসির সম্পদ হয়ে দাঁড়িয়েছে,  দল রীতিনীতি জানে না বলে কৌতূক। এই পরিস্থিতিতে, দলের মুখ রক্ষা করার জন্য এগিয়ে এসে বিধানসভার পরিষদীয় দলের সমস্ত রীতিনীতিকে মান্যতা দিয়েছেন তাঁরা। দাবি তেমনটাই। মমতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে আবেদন, আমাদের পরিষদীয় দলকে স্বীকৃতি দিয়ে, পরিচালনা করুন। ওঁকে আমরা নেত্রী হিসেবে মান্যতা দেব।' 

 

ঋতব্রত বলেন, 'মাননীয়া মমতা ব্যানার্জিকে আমাদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। তিনি থাকুন আমাদের পরামর্শদাতা হিসেবে। তাঁর পরামর্শ পেলে  নিশ্চিতভাবে আমরা সদর্থক-গঠনমূলক বিরোধী ভূমিকা পালন করতে পারেব।'