আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'কোন সাঁকোটা পারাপারের, কোন সাঁকোটা পার হবে না...'। রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে, কবিতা আওড়ে, মমতা-শিবির ছাড়লেন মদন। মঙ্গলরাতের জল্পনা, সত্যি করলেন বুধ সকালেই। 

 

 মঙ্গল রাতে দেখা করেছিলেন স্বর্ণকমল সাহার সঙ্গে। চেয়েছিলেন সন্দীপনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেও। সম্ভব হয়নি। জল্পনার সূত্রপাত সেখানেই। বুধবার সকালে সেই জল্পনাতেই সিলমোহর! বুধবার একদিকে তিনি মমতা-কালীঘাটের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন, অন্যদিকে বুধবারেই তিনি পৌঁছে যান, বিধানসভায় ঋতব্রত ব্যানার্জির ঘরেও। সেখানে বসেই কার্যত তিনি কালীঘাট তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান। 

 

এর আগে, মঙ্গলবারেই স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে পৌঁছে যান মদন মিত্র। কয়েক মিনিট ছিলেন সেখানে। জল্পনা তখন থেকেই শুরু হয়, তাহলে কি এবার মমতার একেবারে শুরুর দিকের সঙ্গীও হাত ছাড়ছেন? জল্পনা সত্যি হল, বুধবার সকালেই। এদিনই সজা বিধানসভায় পৌঁছে যান মদন মিত্র। সেখানে কবিতা আওড়ে বোঝান জীবনের কোন পরিস্থিতিতে এখন দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। সেই সময় মদনের পাশে ছিলেন ঋতব্রত ব্যানার্জি, সন্দীপন সাহা, শিউলি সাহাও। ২১ জুলাই শহিদ দিবসের কর্মসূচিতে মদন মিত্র ঋতব্রত শিবিরে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন। 

 

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েই, মদন মিত্র বলেন, তিনি তৃণমূলেই ছিলেন, তৃণমূলেই রইলেন। কেবল বদল করলেন শিবির। এর আগেও, গত কয়েকদিনে একে একে মমতার সঙ্গীরা হাত ছেড়েছেন। এর আগে, তালিকায় শেষ নাম ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তারপরেই এবার তালিকায় মদন মিত্র।