আজকাল ওয়েবডেস্ক: বঙ্গের সঙ্গে যোগের যোগ বহু যুগের। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে, রেড রোডের মেগা কার্নিভালে দাঁড়িয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বাংলায় এই বিপুল আকারের উদযাপনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।
বঙ্গের উদযাপনে উপস্থিত রয়েছেন খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী। শনিবারেই রাজ্যে এসেছেন তিনি। শনির কর্মসূচির পর, রবিবার সকালেই উপস্থিত হয়েছেন রেড রোডে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন। কলকাতায় উপস্থিত সকল অংশগ্রহণ, দেশ-বিদেশে যোগের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কারণে, ২১ জুন, বিশ্বের অন্যতম বিপুল সমারোহের দিনে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের নানা না প্রান্ত থেকে যোগের ছবি সামনে আসছে। ভারতে, হিমালয় থেকে, হিন্দু মহাসাগর পর্যন্ত, বাংলা থেকে সৌরাষ্ট্র পর্যন্ত, সমগ্র দেশে যোগ-চেতনায় পরিপূর্ণ। গোটা দেশ, বিশ্ব, একে অন্যের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে। এটাই মানুষের শক্তি। যোগ সকলকে জুড়ে রাখে, যোগ সকলকে একসঙ্গে আনে।'
স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ পরমহংস, ঋষি অরবিন্দর প্রসঙ্গ যেমন উঠে আসে তাঁর কথায়, উঠে আসে রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করতেন, মানুষের পরিচয় আলাদা আলাদা থাকায় নয়, বরং নিজের আশে-পাশের দুনিয়ার সঙ্গে জুড়ে থাকায়। এই জুড়ে থাকাই যোগের মূল ভাব। ঋষি অরবিন্দ মনে করতেন, আমাদের সমগ্র জীবন যোগ। আমরা তা বুঝতে পারি, বা না পারি।'
এবারের থিম, 'যোগা ফর হেলদি এজিং।' প্রধানমন্ত্রী মনে করালেন, যোগকে কেবল একদিনে, একটি কর্মসুচিতে সীমিত না রেখে, প্রাত্যহিক জীবনের, ভবিষ্যৎ জীবনের অংশ বানানোর কথা। মনে করালেন, যোগা কেবল একটি বয়সের জন্য, একটি সময়ের জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, 'যোগ কেবলমাত্র শারীরিক আসন নয়। কোনও এক আয়ুবর্ষেও তা সীমিত নয়। যোগ মানব জীবনের চেতনার প্রকাশ।' দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা মনে করিয়ে তিনি বলেন, 'লক্ষ্য হওয়া উচিৎ ৫০ বছর বয়সে, ৩০ বছরের থেকে এনার্জেটিক হওয়া, ৪০ বছর বছসে ২০ বছরের থেকে বেশি ফেক্সিবল থাকা। আর তাতে সহায়তা করবে যোগ অভ্যাসই।' বক্তব্য শেষ করে, তাঁকে একাধিক যোগ ব্যায়াম করতেও দেখা যায় রেড রোডে।















