বিউ সরকার
রেড রোডের কার্নিভাল থেকে প্রধানমন্ত্রী বললেন, যোগের উপকারিতা। বলেন কেবল একটি মাত্র দিনে নয়, দৈনন্দিনের অভ্যাসে, যোগ উপকার ঘটায় শরীরের মনের। একই কথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলাতেও। রবিবারই রেড রোডে দেখা মিলল, এমন একজনের, যিনি বলছেন, যোগের অভ্যাসের কারণেই, উঠে দাঁড়িয়েছেন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরেও। একাধিকবার এই শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে পর্বতারোহন করেছেন। পরিকল্পনা করছেন মাউন্ট এভারেস্ট পাড়ি দেওয়ার।
দমদমের উদয় কুমার। বছর ১১ আগে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ ঘটনা। দুর্ঘটনায় পা হারিয়েছেন, ২০১৫ সালে। দূরপাল্লার ট্রেন থেকে পা পিছলে পড়ে যান। এক পা কেটে বাদ দিতে হয়। ভেঙে পড়েছিলেন মানসিকভাবে, চেষ্টা করেন আত্মহত্যারও। সেই উদয় এখন পর্বতারোহী। এখন তাঁর ঝুলিতে এখন একাধিক পুরস্কার। মনের জোর নিয়ে হাজির, রেড রোডের যোগ কার্নিভালেও। জানাচ্ছেন, যোগই ফিরিয়েছে তাঁর মনের শক্তি।
প্রতিদিন যোগাঅভ্যাস করেন? আজকাল ডট ইন-কে উদয় জানাচ্ছেন, প্রতিদিন নিয়ম করে যোগ অভ্যাস না করলেও, দৌড়, স্কিপিং করে থাকেন নিয়ম করে, সঙ্গেই অনুশীলন করেন কোনও না কোনও যোগাসনও।
রেড রোডের যোগ কার্নিভাল নিয়ে উচ্ছ্বাস তাঁর গলাতেও। বললেন, 'বাংলার প্রতিটি মানুষের জন্য গর্বের দিন। প্রধানমন্ত্রী বাংলায় এসে যোগ ব্যায়াম করলেন, তাঁর সঙ্গে আমরাও করলাম, এ গর্বের দিন।'
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীও এদিন মনে করালেন, যোগকে কেবল একদিনে, একটি কর্মসুচিতে সীমিত না রেখে, প্রাত্যহিক জীবনের, ভবিষ্যৎ জীবনের অংশ বানানোর কথা। মনে করালেন, যোগ কেবল একটি বয়সের জন্য, একটি সময়ের জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, 'যোগ কেবলমাত্র শারীরিক আসন নয়। কোনও এক আয়ুবর্ষেও তা সীমিত নয়। যোগ মানব জীবনের চেতনার প্রকাশ।' দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা মনে করিয়ে তিনি বলেন, 'লক্ষ্য হওয়া উচিৎ ৫০ বছর বয়সে, ৩০ বছরের থেকে এনার্জেটিক হওয়া, ৪০ বছর বছসে ২০ বছরের থেকে বেশি ফেক্সিবল থাকা। আর তাতে সহায়তা করবে যোগ অভ্যাসই।'















