আজকাল ওয়েবডেস্ক: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ উচ্চশিক্ষা দপ্তরের। রিপোর্ট চাইল উচ্চশিক্ষা দফতর। স্টুডেন্ট ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্রদের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে। কোন খাতে খরচ হয়েছে তার হিসাব চাওয়া হয়েছে। কলেজের ভিতরে যে গোপন ঘর তৈরি করা হয়েছিল তার অনুমতি ছিল কি না, কে বা কারা সেই ঘর ব্যবহার করত, সে বিষয়েও রিপোর্ট চেয়েছে দপ্তর। এছাড়াও বহিরাগতরা কারা কলেজে আসতেন, কেন এবং কার অনুমতিতে আসতেন সেই বিষয়েও বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।
দপ্তর সূত্রে খবর, এই বিষয়ে প্রয়োজনে প্রাক্তন অধ্যক্ষের সঙ্গেও কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ কলেজ কর্তৃপক্ষকে। রিপোর্ট হাতে এলেই সব দিক খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। টাকা কোথায় থেকে এল, সেজন্য সিসিটিভি ফুটেজে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে দুই স্যুটকেস ভর্তি টাকা উদ্ধার হয়। ওই স্যুটকেস দু’টিতে ১০০ এবং ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল ছিল। সেই সব টাকা উইপোকা খেয়ে নষ্ট করে ফেলেছিল। পুলিশ সেই টাকা উদ্ধার করে। কোথা থেকে এল সেই টাকা তা এখনও জানা যায়নি। এর আগে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। উইপোকা খাওয়া টাকা উদ্ধারের পরে ফের সরব হন সজল। তাঁর নিশানায় ছিলেন সুদীপ ব্যানার্জি এবং নয়না ব্যানার্জি।
ছাত্র ইউনিয়নের ঘর থেকে টাকা ভর্তি স্যুটকেস উদ্ধারের পরেই সুরেন্দ্রনাথ কলেজেরে ভিতরে দু’টি বিলাসবহুল ঘরের সন্ধান মেলে। সেই ঘরে এসি, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মদের বোতল, কনডোমের প্যাকেট এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের ওই ঘরটি বন্ধ ছিল। নির্বাচন না হওয়ায় ২০১৫ সাল থেকেই কক্ষটি তালাবন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয় তারপরেই একের পর এক কেলেঙ্কারির খবর সামনে আসছে।















