আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে রবিবারেও অ্যাকশন মোডে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তিলজলা-সহ শহরের নানা প্রান্তে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এই অভিযানে পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা ছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এদিন কলকাতা পুরসভার ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত তিলজলার গোলাম জিলানী খান রোডের দু'টি সাততলা বেআইনি বাড়ি ভাঙার কাজ চলছে। এই দুই নির্মাণে বেশ কিছুয়া অংশের কোনও বৈধ কাগজ নেই বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ওই দুই বাড়ির দু'টি ব্লক ভেঙে ফেলা হচ্ছে৷ রবিবার সকালে তিলজলা থানায় এসে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী. ছিল ক্রিটিক্যাল রেসপন্স ভেহিক্যালও। আর ছিলেন, কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা পুলিশের কর্মীরা।
অভিযোগ, তিলজলায় বেশ কিছু কারখানা ও বহুতল অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মেনেই তৈরি করা হয়েছে। সেই নির্মাণগুলির কাঠামোই ভাঙতে মরিয়া প্রশাসন।
কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনারের (অপরাধ) কাছে এই মর্মে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কলকাতার বাসিন্দা শ্রীচরণ রায়। তাঁর স্পষ্ট দাবি, এই গোটা দুর্নীতির চক্রে প্রভাবশালী হাত রয়েছে এবং অভিযুক্তদের তালিকায় অন্যতম প্রধান নাম কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। অভিযোগকারী শ্রীচরণ রায় অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করে কড়া আইনি পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন।
এছাড়া, বেলেঘাটাযতেও বুলডোজার অ্যাকশনে প্রশাসন। রাজু নস্করের তৈরি দু'টি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ করছেন পুরকর্মীরা। প্রায় ৮০-৯০ জবে মিলে চলছে অভিযান।
অন্যদিকে কসবার বিবি চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে আগেই নোটিশ জারি করেছিল কলকাতা পুরসভা। তাতে অবশ্য কর্ণপাত করা হয়নি। এবার সেই অবৈধ নির্মাণ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে প্রশাসন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ নির্মাণটির সঙ্গে জড়িত স্থানীয় সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। কসবায় পৌঁছেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা দেন তিনি।















