আজকাল ওয়েবডেস্ক: এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার সকালে এই বিক্ষোভের জেরে গোটা এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। তিনি বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা অচল হয়ে পড়ে।
বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের অভিযোগ, এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা ও তার ছেলে বর্তমান বিধায়ক সন্দীপন সাহার বিরুদ্ধে কাটমানি, অবৈধ নির্মাণ ও জমি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ফলে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
প্রসঙ্গত, সোমবারই ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। নবাগত দুই বিধায়কের দাবি, গত ৬ মে-র বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছার কোনও রেজোলিউশন হয়নি। স্রেফ একটি উপস্থিতির খাতায় করানো সইকে জালিয়াতি করে সেটা রেজোলিউশনে বদলে দিয়েছেন নেতৃত্ব। বিধানসভার সই জাল-কাণ্ডে সোমবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তখন তিনি জানান, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপনই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্পিকারের কাছে। এখানে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আর পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বিষয়টি তাঁর কানে যাওয়ার পর সিআইডি-কে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুভেন্দুর এই ঘোষণার পরেই জানা যায়, দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল।
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতার পদে বুধবারই বসেছেন বিক্ষুব্ধ, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি। এক ঋতব্রতর সঙ্গে রইলেন চার উপ দলীয় নেতা। এদিন বিধানসভার স্পিকার তাঁর হাতে বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবিও তুলে দেন। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বললেন, তাঁর ৫৮ বিধায়কের টিম, প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে চাইছেন মমতা ব্যানার্জিকেই। তাঁরা দফায় দফায় বসবেন বৈঠকে। ঠিক করবেন পরবর্তী রূপরেখা। সঙ্গেই স্পষ্ট বললেন, তাঁর টিম ৫৮ থেকে বেড়ে হবে ৬০। ৬০ জনের মধ্যে হতে পারে মতান্তর, কিন্তু মনন্তর হবে না কখনও।















