আজকাল ওয়েবডেস্ক: দলের বিড়ম্বনা গত কয়েকমাসে যথেষ্ট। একদিকে শোচনীয় পরাজয়। তার সঙ্গেই একে একে দলের নেতা নেত্রীর দল ছাড়ছেন পরপর। সঙ্গেই ফ্রিজ দলের একাধিক অ্যাকাউন্ট। একাধিক ইস্যুতে অভিষেককে তলব করছে ইডি-সিআইডি। তার মাঝেই বিড়ম্বনা বেড়েছে অভিষেকের এই পরিস্থিতিতেও চাটার্ড বিমান নিয়ে উড়ে বেড়ানো নিয়ে। সম্প্রতি তিনি দিল্লিও গিয়েছেন চাটার্ড বিমানেই।
এই প্রসঙ্গেই এবার মুখ খুলেছেন বিজেপির সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, 'অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। যাঁরা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন।' তিনি ব্যঙ্গের সুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার। প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন নিট পরীক্ষা নিয়ে কোন গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে।
এরপর বোলপুরে সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন। বলেন, 'যাঁরা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে।'
অন্যদিকে বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, 'বিজেপিতে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তাঁর দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন।'
এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, 'জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে।' পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন।















