আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএল শুরু হতেই ফর্মে ফিরেছেন বিরাট কোহলি। মরশুমের শুরুটা এবার দুর্দান্ত করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শুধু নিজেই রান করেননি, বাকিদের করতে সাহায্য করেছেন। দলের স্বার্থে খেলছেন। বিরাট কোহলির ইগোর কথা সকলেরই জানা। এই বিষয়টি তাঁর গায়ের সঙ্গে সেঁটে গিয়েছে। এর আগে একাধিকবার তাঁর ব্যাটিংয়ের সঙ্গে স্বার্থপরতা, ইগোর মতো শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। অনেকেই বলেন, নিজের জন্য খেলেন কোহলি। পরিসংখ্যানের কথা ভেবে মাঠে নামেন। আইপিএলের সম্প্রচারকারী চ্যানেলের একটি সাক্ষাৎকারে, ইগো প্রসঙ্গ উড়িয়ে দিলেন বিরাট। দাবি, কোনওদিন তাঁর খেলায় ইগোর ছাপ ছিল না।
চলতি আইপিএলে বেশ কয়েকবার রজত পতিদারকে ব্যাট হাতে প্রধান ভূমিকা নিতে সাহায্য করেন। এই প্রসঙ্গে কথা উঠতেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা তুলে ধরেন কোহলি। জানান, সেখানে একাধিকবার শ্রেয়স আইয়ারকে ড্রাইভারের সিট ছেড়ে দেন তিনি। কোহলি বলেন, 'বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী যদি দেখা হয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একটা ম্যাচে শ্রেয়স লিড ভূমিকা নেয়। আমি কখনও ইগো নিয়ে ভাবিনি। ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর সবকিছু নির্ভর করে। সেই সময় আমি ছন্দে থাকলে, আমি চেষ্টা করেছি। অন্য কেউ ভাল জায়গায় থাকলে, সে সুযোগ নেবে। কাউকে ছাপিয়ে যাওয়া আমার উদ্দেশ্য কোনওদিনই ছিল না। সবটাই ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমি খেলতে চাই।'
আরসিবির ড্রেসিংরুমে প্রথম কয়েকদিনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তারকা ক্রিকেটার। সেই সময় রাহুল দ্রাবিড়, জ্যাক কালিসরা ছিলেন। তাঁদের দেখে বিরাট বুঝতে পারেন, তাঁকে অনেক উন্নতি করতে হবে। কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান। এই প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, 'বেঙ্গালুরুতে প্রথম তিন বছর টপ অর্ডারে ব্যাট করার সুযোগ পাইনি। আমাকে লোয়ার অর্ডারে পাঠানো হত। তাই শুরুর দিকে আমি খুব বেশি সফল হইনি। ২০০৯ সাল থেকে আমি ঘুরে দাঁড়াই । সেই সালের আইপিএলের পিচ আমার ব্যাটিং স্টাইলকে সাহায্য করে। বল ব্যাটে আসছিল। আমার কেরিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল। ২০১০ থেকে আমি ধারাবাহিকতা দেখাই। ২০১১ থেকে নিয়মিত তিন নম্বরে ব্যাট করা শুরু করি। সেই বছর থেকেই আমার আইপিএল যাত্রা ভালভাবে শুরু হয়।' এবার শুরুটা যেভাবে করেছে বেঙ্গালুরু, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে বিরাট ভক্তরা।
