আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের। উত্তর ইয়েমেন দখলে থাকা এই গোষ্ঠীর দাবি, এই হামলা সৌদি আরব ও হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
ইয়েমেন সরকারের দাবি, ইরানি বিমানকে সানায় অবতরণ করতে বাধা দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে হুতিদের হুঁশিয়ারি, এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন পর রিয়াধ ও হুতিদের মধ্যে এই উত্তেজনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। হুতির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারির অভিযোগ, এই বিমান হামলার চালিয়ে সৌদি আরব যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইতি টেনেছে।
তাঁর দাবি, এই আগ্রাসনের জবাব না দিয়ে হুতিরাও বসে থাকবে না। সম্প্রতি হুতিদের তরফে অভিযোগ করা হয়, সৌদি যুদ্ধবিমান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে তেহরানে যাওয়ার পথে একটি ইরানি বিমানকে বাধা দিয়েছে।
ওই বিমানে হুতি প্রতিনিধিদল ছিল বলে দাবি করা হয়। এই অভিযোগের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছিল। ইয়েমেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল তাহের আল-আকিলি এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালানো হয়েছে। যাতে ইরান থেকে হুতি প্রতিনিধিদল সহ বিমানটি অবতরণ করতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে এসেছে। এই বিশ্বাসঘাতকতামূলক ও নৃশংস হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী শত্রুপক্ষের বিমানগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরে হুতিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট ইরানি বিমানটি সানা নয়, হোদেইদা বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে। ইতিমধ্যেই সানার বিমানবন্দরে হামলার দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
















