আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ হয়েছে। দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল তা সমাপ্ত বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। গত ৭ এপ্রিল থেকে দু’পক্ষের মধ্যে আর কোনও গোলাগুলির বিনিময় হয়নি। মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি লিখে শুক্রবার এমনটাই দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুক্রবারই যুদ্ধের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখনও ট্রাম্প তা পাননি। তাই শুক্রবার কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গে চিঠিটি লিখেছেন তিনি।


এটা ঘটনা, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া যে কোনও সংঘাতের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত। প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতাবলে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারেন। তা ওই সময়সীমা পর্যন্ত সংঘাত চালিয়ে যেতে পারেন তিনি। এর পর সেনা প্রত্যাহারের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় আরও নিতে পারেন। ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা শুক্রবারই শেষ হয়েছে। ট্রাম্প চিঠি লেখার আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বৃহস্পতিবার সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে যুদ্ধ প্রসঙ্গে বয়ান দিয়েছিলেন। তাঁর কথাগুলিই কংগ্রেসকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তবে ৬০ দিনের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের নিয়মটি নিয়ে বেশ বিরক্তও ট্রাম্প। জানিয়েছেন, এটি ‘অসাংবিধানিক’। এদিকে, ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। তাঁদের দাবি, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ আদৌ থামেনি। হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য এখনও পশ্চিম এশিয়ায় রয়েছেন। ডেমোক্র‌্যাটদের দাবি, হরমুজ প্রণালী নিয়েও জট কাটেনি। 


এটা ঘটনা, আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে এখনও সাফল্য আসেনি। ইসলামাবাদে আয়োজিত প্রথম দফার বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। তার পর থেকে দ্বিতীয় দফার আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। দু’পক্ষের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদেও গিয়েছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে আলোচনার কোনও ঘোষণা হয়নি। এদিকে, ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ‘‌ইরানকে আমরাই সামলেছি। নইলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ শেষ হয়ে যেত।’‌ তাঁর আরও দাবি, ‘‌ইরানের এখন আর কোনও নৌ বা বিমানবাহিনী নেই। বিমান বিধ্বংসী সরঞ্জামও নেই। রাডার নেই। নেতারা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।’‌ ট্রাম্পের এই কথার পর নতুন করে ধন্দ শুরু হয়েছে।