আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এবং দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে আন্দোলন আরও জোরদার করল স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (এসএফআই)। রাজভবন অভিযান, ধর্মঘট ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে দেশের একাধিক রাজ্য। কেরালায় প্রায় ৪৫ হাজার ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহণে ১৪টি জেলায় সুবিশাল রাজভবন মার্চ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন থিরুভানন্থপুরমের কর্মসূচির সূচনা করেন। সেখানে পুলিশের লাঠিচার্জে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন এবং হাজার হাজার ছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

হিমাচল প্রদেশের সিমলায় আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও পন্ডিচেরিতে ক্লাস বয়কট, শিক্ষা ধর্মঘট ও জেলা প্রশাসন অফিসে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার মতো নানা কর্মসূচি পালিত হয়। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ম্যানচেস্টার ও গ্লাসগোর মতো শহরগুলিতেও এসএফআই-এর উদ্যোগে ভারতীয় ছাত্রদের ওপর হওয়া এই পুলিশি দমনের বিরুদ্ধে একাত্মতা জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কলকাতায় এসএফআই এবং অন্যান্য বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে ক্লাস বয়কটের পর ৩৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হন। শান্তিময় মিছিলে উসকানিমূলক বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর কলকাতার ধর্মতলায় ছাত্ররা নিজেদের 'যন্তর মন্তর' গড়ে তোলে। ধর্মানুষ্ঠান ও অবস্থান বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় ২৪ জুলাই রাতে শিল্পী, বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মতলায় ‘রাত জাগো, দেশ জাগো’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এসএফআই।