আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধের চ্যালেঞ্জের মধ্যেই ভারত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের দোরগোরায়। যদি দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে ভারত এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবেই এই চুক্তু সম্পাদন করবে। ফলে ভারত এশিয়ায় উচ্চতর মর্যাদা অর্জন করবে।
মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে, ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক ১০ শতাংশ হ্রাস হতে পারে। বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধের উদ্বেগের মধ্যে যা ভারতকে চীনের থেকে কয়েক কদম এগিয়ে রাখবে। জাপানি আর্থিক পরিষেবা সংস্থা NOMURA-এর মতে, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নয়াদিল্লির বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
NOMURA-এর মতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি ৬.২ শতাংশ। এই বৃদ্ধি চলতি অর্থবর্ষে ১ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা করছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকও নিশ্চিত করেছেন যে, চুক্তিটি শীঘ্রই স্বাক্ষরিত হতে পারে।
মার্কিন প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি শুল্ক হ্রাস, বাণিজ্য বাধা হ্রাস এবং সরবরাহ শৃঙ্খল একীকরণ উন্নত করে পণ্যের জন্য বৃহত্তর বাজারে প্রবেশাধিকার প্রদান করবে।
দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার লক্ষ্য হল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ের একটি দ্রুত এবং পারস্পরিকভাবে উপকারী পরিসমাপ্তিতে পৌঁছানো যায়।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি-র জন্য চলমান আলোচনার অংশ হিসাবে অতিরিক্ত মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল ৪-১০ জুন পর্যন্ত এখানে রয়েছে।
আধিকারিকরা বলেন, “উভয় দেশ বৃহত্তর বাজারে প্রবেশাধিকার সহজতর করার জন্য, শুল্ক এবং অ-শুল্ক বাধা হ্রাস করার জন্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা এবং একীকরণ বৃদ্ধির জন্য সক্রিয়ভাবে কেন্দ্রীভূত আলোচনায় নিযুক্ত রয়েছে।”
আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল উভয় দেশই ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।
















