আজকাল ওয়েবডেস্ক: বছরের শুরুতেই মর্মান্তিক পরিণতি। বন্ধুদের সঙ্গে বৃন্দাবন যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন পাঁচ তরুণ। বৃহস্পতিবার ভোরে ফরিদাবাদের বাটা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি মারুতি সুজুকি ব্যালেনো গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়৷ ঘটনায় মৃত্যু হয় একজনের। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি চার বন্ধু।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সারান্স (২৫)। আহতরা হলেন লক্ষ্য, রাঘব, তুষার এবং যথার্থ। পাঁচজনই ফরিদাবাদের জওহর কলোনির বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই স্নাতক স্তরের ছাত্র। নববর্ষ উদযাপনে বৃন্দাবন যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোর তিনটে নাগাদ ওই পাঁচ বন্ধু বাড়ি থেকে বৃন্দাবনের উদ্দেশে রওনা দেন। চালকের আসনে ছিলেন সারান্স। তাঁর পাশেই বসেছিলেন লক্ষ্য। বাকি তিন বন্ধু ছিলেন পিছনের আসনে। ফরিদাবাদের নীলম ফ্লাইওভার পার করার পরই বাটা মেট্রো স্টেশনের কাছে আচমকা গাড়ির একটি টায়ার ফেটে যায়। দ্রুত গতিতে থাকা গাড়িটি মুহূর্তের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে রাস্তার ধারের গ্রিলে ধাক্কা মারে এবং পরে ডিভাইডারে সজোরে আঘাত করে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার সময় গাড়ির গতি এতটাই তীব্র ছিল যে, গাড়ির কাচ ভেঙে সারান্স ছিটকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। মাথায় গুরুতর চোট লাগার কারণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পিছনের আসনে থাকা তিন বন্ধুও গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। তবে চালকের পাশে সিটে লক্ষ্যের চোট তুলনামূলকভাবে কম।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পুলিশ এসে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। সেন্ট্রাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রণধীর জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পর সারান্সের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা, যান্ত্রিক গোলযোগ না কি বেপরোয়া গতি- এই সব দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
