আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের মারপ্যাঁচ কষেছেন বহু রাজনৈতিক দলের জন্য। নিজে দল গড়েও ফেলেছেন। এবার ভোটে লড়ছেন প্রশান্ত কিশোর। বিহারে আসন্ন উপনির্বাচনে বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিজে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেছেন জন সুরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর।
বাঁকিপুরে ভোট কেন? বিজেপি নেতা নীতিন নবীন রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়ে ইস্তফা দেওয়ায় বাঁকিপুর আসনটি শূন্য। সেই আসনেই এবার সরাসরি ভোট ময়দানে নামছেন এই ভোটকুশলী। এর আগে একবার প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, "বাঁকিপুরের মানুষ বিহারের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ও শিক্ষিত। তাঁদের সেরা প্রার্থীকেই ভোট দেওয়া উচিত। তাঁরা যদি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন, তবে আমি তাঁদের ভোট দেওয়ার অনুরোধ করব। আমার দলের একমাত্র বিধায়ক হিসেবেও আমি বিধানসভায় বাকি ২৪২ জন বিধায়কের চেয়ে ভারী প্রমাণিত হব।"
বৃহস্পতিবার বিহারের এই কেন্দ্রে উপ নির্বাচন হয়েছে। একসময়ের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের নেতা হিসেবে এই ভোট অগ্নিপরীক্ষা। এখন নজর ভোটের ফলাফলের দিকে। ভোটের ফলাফল সামনে আসার আগে, কয়েকটি সংস্থার পরিচালিত বুথ-ফেরত সমীক্ষা অর্থাৎ এক্সিট পোল কী বলছে? স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, একাধিক সমীক্ষা 'জন সুরাজ পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোরকেই এই ভোটে এগিয়ে রেখেছে। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকিপুর কেন্দ্রে ৬২.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজেপি বিপুল জয়লাভ করেছিল। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের পরে, তিনটি এক্সিট পোলের ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবার নিজেদের শক্ত ঘাঁটি—বাঁকিপুর—ধরে রাখার ক্ষেত্রে বিজেপি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা, কিশোর যদি জীবনে প্রথম ভোট লড়ে, সমীক্ষায় এগিয়ে থাকেন, তাহলে ওই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে কোন দল? ২০২০ ওই কেন্দ্রে যেখানে ৬২.৬ শতাংশ ভোট গিয়েছিল বিজেপির ঝুলিতে, বুথ ফেরত সমীক্ষার তথ্য, ওই কেন্দ্রে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারেন প্রশান্ত কিশোর। বুথ ফেরত সমীক্ষার তথ্য, ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং ২০ শতাংশ ভোট নিয়ে আরজেডি (RJD) থাকতে পারে । ‘অন্যান্য’—অর্থাৎ নির্দল প্রার্থীরা—৫ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। যদিও এসব ইঙ্গিত কেবল। যদিও উত্তর মিলবে ৩ আগস্টের পর।
(এগজিট পোলে প্রাপ্ত তথ্য ১০০ শতাংশ কখনও মেলে না। এটি জনমতের ভিত্তিতে তৈরি একটি পূর্বাভাস মাত্র। বাস্তবের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই।)
















