আবু হায়াত বিশ্বাস: বিধানসভা ভোটে কোটিপতি প্রার্থীদের ছড়াছড়ি। কোটিপতিদের ভিড়ের মাঝে ভোটময়দানে মনরেগার শ্রমিকও! ভোটে লড়া তাঁর নেশা। তাই কখনও সরপঞ্চ, ওয়ার্ড পঞ্চায়েত, কখনওবা পঞ্চায়েত সমিতি, বিধানসভা, লোকসভার ভোটে প্রার্থী হয়েছেন। জয়ের আশায় লড়ে ফেলেছেন ৩১ বার। যদিও ৩১ বারই জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তাঁর। তারপরেও লড়াই থেকে পিছু হঠেননি। এবারও রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিতার সিং। ৭৮ বছর বয়সী তিতার সিং রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলার শ্রীকরণপুর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোট ময়দানে নেমেছেন। করণপুরের গুলাবেওয়ালা গ্রামের বাসিন্দা তিতারের স্বপ্ন বিধানসভায় জিতে জনপ্রতিনিধি হওয়া। তাঁর কাছে এই লড়াই ভূমিহীন মানুষদের অধিকার রক্ষার লড়াই। এবার তিনিই ভোটে জিতবেন বলে দাবি করছেন তিতার। অতীতে প্রাক্তন মন্ত্রী গুরমিত সিং কুন্নর, সুরেন্দ্রপাল টিটি কিংবা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিহালচাঁদ মেঘওয়ালের বিরুদ্ধে লড়েছেন তিতার। কোনও বড় নেতার সামনে লড়তে ভয় পাননা, দাবি করছেন ৭৮ বছর বয়সী এই নির্দল প্রার্থী।
১৯৮৫ সালে, তিতার সিং শ্রীকরণপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন মাত্র দুই হাজারের কাছাকাছি ভোট। কিন্তু এরপর আর কোনও নির্বাচন মিস করেননি তিতার সিং! সরপঞ্চ থেকে ওয়ার্ড পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে বিধানসভা, লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে থাকেন তিনি। জয়ের আশায় ৩২ বার প্রার্থী হয়েছেন। তিতার বলছেন,‘আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাব, কারণ এটা কোনো দল বা জনগণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষও রাজনীতিতে আসতে পারে। আমি দরিদ্র এবং প্রতিনিধিত্বহীনদের জন্য ভোটে দাঁড়িয়েছি।’ চলতি বছর মে মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে খবরের আসেন তিতার সিং। তিনি মোদিকে লিখেছিলেন, শ্রীকরণপুর এলাকা থেকে ৩১ বার নির্বাচন লড়েছেন। একবারও জয় পাননি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে প্রাক্তন প্রার্থী হিসেবে তাঁকে প্রতি মাসে ৫ লক্ষ টাকা ভাতা দেওয়া উচিত সরকারের। এর বাইরে রাজস্থানে বিজেপির টিকিট বণ্টনের দায়িত্বও দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।
তিতার সিং বলছেন, ‘কোনও সরকারই গরিবের দূর্দশা বোঝে না। তারা আমার বা আমাদের সমস্যাগুলিকে হালকাভাবে নেয়, তাই আমি প্রতিবার লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা সাধারণ মানুষকে অবমূল্যায়ন করে তাদের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ।’ নির্দল প্রার্থী তিতার আরও দাবি করছেন, ‘আমাদের কোনো জমি বা সম্পত্তি নেই কিন্তু আমরা টিকে থাকতে পেরেছি। বেশ কয়েকবার জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়া সত্ত্বেও, আমরা কোনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হইনি৷’ বার বার জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরও ভোটে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পান? এই প্রশ্নের জবাবে বলছেন,দরিদ্রদের প্রতি বড় দলগুলোর উদাসীনতার কারণেই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিতার সিং বলেন,‘এমন অনেক পরিবার আছে যারা দুই-তিন প্রজন্ম ধরে কোনও জমি, অর্থ ,সম্পদ ছাড়াই বসবাস করছে। আমি চাই তারা জমি পাবে এবং সরকার আমাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।’
১৯৮৫ সালে, তিতার সিং শ্রীকরণপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন মাত্র দুই হাজারের কাছাকাছি ভোট। কিন্তু এরপর আর কোনও নির্বাচন মিস করেননি তিতার সিং! সরপঞ্চ থেকে ওয়ার্ড পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে বিধানসভা, লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে থাকেন তিনি। জয়ের আশায় ৩২ বার প্রার্থী হয়েছেন। তিতার বলছেন,‘আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাব, কারণ এটা কোনো দল বা জনগণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষও রাজনীতিতে আসতে পারে। আমি দরিদ্র এবং প্রতিনিধিত্বহীনদের জন্য ভোটে দাঁড়িয়েছি।’ চলতি বছর মে মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে খবরের আসেন তিতার সিং। তিনি মোদিকে লিখেছিলেন, শ্রীকরণপুর এলাকা থেকে ৩১ বার নির্বাচন লড়েছেন। একবারও জয় পাননি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে প্রাক্তন প্রার্থী হিসেবে তাঁকে প্রতি মাসে ৫ লক্ষ টাকা ভাতা দেওয়া উচিত সরকারের। এর বাইরে রাজস্থানে বিজেপির টিকিট বণ্টনের দায়িত্বও দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।
তিতার সিং বলছেন, ‘কোনও সরকারই গরিবের দূর্দশা বোঝে না। তারা আমার বা আমাদের সমস্যাগুলিকে হালকাভাবে নেয়, তাই আমি প্রতিবার লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা সাধারণ মানুষকে অবমূল্যায়ন করে তাদের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ।’ নির্দল প্রার্থী তিতার আরও দাবি করছেন, ‘আমাদের কোনো জমি বা সম্পত্তি নেই কিন্তু আমরা টিকে থাকতে পেরেছি। বেশ কয়েকবার জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়া সত্ত্বেও, আমরা কোনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হইনি৷’ বার বার জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরও ভোটে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পান? এই প্রশ্নের জবাবে বলছেন,দরিদ্রদের প্রতি বড় দলগুলোর উদাসীনতার কারণেই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিতার সিং বলেন,‘এমন অনেক পরিবার আছে যারা দুই-তিন প্রজন্ম ধরে কোনও জমি, অর্থ ,সম্পদ ছাড়াই বসবাস করছে। আমি চাই তারা জমি পাবে এবং সরকার আমাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।’
















