আজকাল ওয়েবডেস্ক: সামান্য গরুর দুধ নিয়ে বচসা। আর সেই বিবাদ গড়াল রক্তারক্তিতে। প্রতিবেশী কৃষক দুধ দিতে রাজি না হওয়ায় রাগের মাথায় তাঁর আঙুল কামড়ে চিবিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের রাইসেন জেলার বাঁশখেড়া গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত কৃষকের নাম লক্ষ্মণ সিং কোরি। তাঁর প্রতিবেশী মহারাজ সিং কোরির স্ত্রী মায়া বাই এদিন সকালে লক্ষ্মণের কাছে দুধ চাইতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লক্ষ্মণ দুধ দিতে অস্বীকার করতেই দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, ঝগড়া চলাকালীন আচমকাই মেজাজ হারান মায়া। তিনি লক্ষ্মণের হাত টেনে ধরে একটি আঙুল মুখে পুরে দাঁত দিয়ে চিবোতে থাকেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কৃষক চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। সালামতপুর থানার পুলিশ আধিকারিক দিনেশ রঘুবংশী জানান, আহত কৃষকের ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সামান্য দুধ নিয়ে কেন এমন রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করলেন ওই মহিলা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, চিকিৎসক সেজে চিকিৎসার নামে চরম প্রতারণা! এক ভুয়ো চিকিৎসকের দেওয়া ইঞ্জেকশনে প্রাণ হারালেন নভি মুম্বইয়ের ২১ বছর বয়সি এক তরুণী। অভিযুক্ত যুবক আদতে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভাশি এলাকায়।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম প্রচিতি ভিকুরাম ভুভাড়। পরিবার সূত্রে খবর, ঋতুচক্রের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত সন্দেশ যশবন্ত পাস্তে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে প্রচিতির বাড়িতে আসেন। তিনি দাবি করেন, তরুণী ‘পিসিওডি’(পলিসিস্টিক ওভারি)-তে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য পাঁচটি ইঞ্জেকশন দিতে হবে জানিয়ে ১৫ হাজার টাকাও নেন ওই যুবক।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দু’টি ইঞ্জেকশন দেন সন্দেশ। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই প্রচিতি জ্ঞান হারান। অবস্থা বেগতিক দেখে ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ও চিকিৎসার সরঞ্জাম ভর্তি ব্যাগটি তরুণীর বাবাকে দিয়ে লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রচিতিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবারের চাপে পড়ে শেষে নিজের অপরাধ কবুল করেন সন্দেশ। জানান, তিনি চিকিৎসক নন, আন্ধেরির একটি নার্সিং হোমের সামান্য ওয়ার্ড বয় মাত্র। ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে বাশি থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন ও প্রতারণার মামলা রুজু হয়েছে। তরুণীর শরীরে ঠিক কী ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
