আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিন। পার হয়ে গিয়েছে ৯৬ ঘন্টা। এখনও সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন ৪০ জন। তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে খাবার-ওষুধ। ১২ নভেম্বর এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে উত্তরাখণ্ডে। দিওয়ালির সকাল, অন্যান্য দিনের মতোই দিনের শুরু হওয়ার আগেই কাকভোরে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মান টানেল। ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের সিল্কিয়ারা থেকে দান্দলগাঁও পর্যন্ত তৈরি হচ্ছিল এই টানেল। দুর্ঘটনার পরেই দ্রুততার সঙ্গে শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য। মাটি, পাথর সরানো কাজ তৎক্ষণাৎ শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত ভেতরে আটকে থাকা ৪০ জনকে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। আগেই জানা গিয়েছে আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে বেশিরভাগ শ্রমিক উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, বিহার এবং বাংলার বাসিন্দা। আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য পাইপ করে জল এবং অক্সিজেন সরবরাহ চলছে, পাঠানো হচ্ছে খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধ। উদ্ধারকারী দলগুলি আটকে পড়া শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।