আজকাল ওয়েবডেস্ক: আন্দোলনের আঁচ বাড়ছে। জনসমর্থনও তুঙ্গে। অনড় সিজেপি-ও। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোড়ল হচ্ছে। এই অবস্থায় সোমবার 'কররোচ জনতা পার্টি'র নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তাতেও পরিস্থিতি বদলায়নি। তাতেই মোদি সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এরপরই মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে যান জেপি নাড্ডা। দেখা করেন, সোমবাররের প্রতিবাদ আন্দোলনে পুলিশের লাঠির গায়ে জখম বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। 

এছাড়াও রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে পৌঁছন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভঢ়রা। তার আগে 'ককরোচ জনতা পার্টি' -র বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সোমবারের ঘটনাকে "ভারতীয় সংস্কৃতী সুলভ নয়" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাহুল গান্ধী বলেন, "মানুষকে মারধর করা হচ্ছে। এমন ঘটনা সম্পূর্ণ অ-ভারতীয়। গতকাল যা ঘটেছে, তার জন্য মোদি এখনও ক্ষমা চাননি।"

এদিকে মঙ্গলবারেও সংসদ অভিযানের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘোষণা করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে অবশ্য, সিজেপির আন্দোলন নিয়ে নীরবতা ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী। নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে 'ঘোর পাপ' হিসেবে অভিহিত করেন নরেন্দ্র মোদি। সংসদ লাইব্রেরি ভবনের জি.এম.সি. বালাযোগী অডিটোরিয়ামে এনডিএ সংসদীয় দলের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, "ভুল পথে যাওয়া সহজ, কিন্তু সঠিক পথে ফিরে আসা অনেক কঠিন। আর আমাদেরই তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। এটাই আমাদের দায়িত্ব।" প্রধানমন্ত্রীর দাবি যুবসমাজকে "বিভ্রান্ত" করা হচ্ছে।