আজকাল ওয়েবডেস্ক: অপরাধ মামলায় জড়িত হলেও, কয়েকবছরের সাজাই যথেষ্ট। তার জন্য সারাজীবন নিষিদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। রাজনীতিকদের পাশে দাঁড়িয়ে হলফনামায় কেন্দ্র যা জানাল, তাতে একপ্রকার হইচই।
যেসব রাজনীতিক দোষী সাব্যস্ত, তাঁদের আজীবন নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, যেসব রাজনীতিক অপরাধ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদের সাংসদ-বিধায়ক নির্বাচন থেকে আজীবনকালের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত, যাতে তাঁরা আর সাংসদ-বিধায়ক পদে ফিরতে না পারেন।
তিনি মূলত ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ৮ এবং ৯ নম্বর অনুচ্ছেদকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। কী রয়েছে ওই দুই অনুচ্ছেদে? বলা হয়েছে, অপরাধ মামলায় জনপ্রতিনিধিরা দোষী সাব্যস্ত হলে, কারাবাসের পর ছ’ বছর পর্যন্ত সদস্যপদ বাতিল হবে তাঁর। অন্যদিকে দুর্নীতি বা অনৈতিক কাজের জন্য সিভিল সার্ভেন্টদের সদস্যপদ বাতিল হলে, তার মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।
কিন্তু এই মামলায় রাজনীতিকদের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্র জানিয়েছে, কোনও রাজনীতিককে সারাজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাড়াবাড়ি। তাঁদের ছ’ বছরের সাজা যথেষ্ট বলে দাবি কেন্দ্রের।
কেন্দ্র এক্ষেত্রে হাতিয়ার করেছে সংবিধান। হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, কোন সাংসদকে কোন কারণে, কতদিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সংবিধান সংসদকে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট, এপ্রিল ২০১৩-তে জানিয়েছিল, সাংসদ এবং বিধায়করা দু’বছর বা তার বেশি সময় কারাবাসে থাকলে, তাঁদের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে।
