কৃষকদের সুবিদায় 'কিষান ক্রেডিট কার্ড' প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত টাকায় কৃষকরা চাষের বীজ, সার, কীটনাশক কিনতে পারেন। পাশাপাশি চাষাবাদ ও কৃষি-সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে কম সুদে ঋণ নিতে পারেন। পশুপালন, দুগ্ধ উৎপাদন, মৎস্যচাষ, পোলট্রি এবং অন্যান্য কৃষি-ভিত্তিক কাজের জন্যও ঋণ নিতে পারেন। নির্ধারিত সময়ে ঋণ শোধ করলে সুদের উপর অতিরিক্ত ছাড়ও পাওয়া যায়।
2
7
সম্প্রতি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক 'কিষাণ ক্রেডিট কার্ড'-এর-র নিয়মে কিছু রদবদল করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী,স্বল্পমেয়াদি ফসলের জন্য ফসলের মরশুম হবে ১২ মাস। দীর্ঘমেয়াদি ফসলের জন্য ফসলের মরশুম হবে ১৮ মাস। এখানে ফসলের মরশুম বলতে বীজ বোনা থেকে শুরু করে ফসল কাটা এবং বাজারে বিক্রি হওয়া পর্যন্ত পুরো সময়কে বোঝানো হয়েছে। এই বদলের ফলে কৃষকরা ঋণ শোধ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পাবেন এবং ব্যাঙ্কগুলির পক্ষেও ঋণ আদায় করা সহজ হবে।
3
7
কোনও কৃষক 'কিষান ক্রেডিট কার্ড'-এর জন্য আবেদন করতে আগ্রহী হলে নিয়ম জানা প্রয়োজন। কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এবং কোন সেটা জানতে হবে।
4
7
'কিষান ক্রেডিট কার্ড'-এ ঋণ নিলে সুদের হার বছরে সাত শতাংশ। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করলে তিন শতাংশ পর্যন্ত সুদ ভর্তুকি পাওয়া যায়। ফলে কার্যকর সুদের হার কমে দাঁড়ায় মাত্র চার শতাংশে।
5
7
'কিষান ক্রেডিট কার্ড' পাওয়ার জন্য শর্ত পূরণ করতে হয়। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী হতে হবে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, যদি তাঁর সঙ্গে যোগ্য সহ-ঋণগ্রহীতা থাকেন তিনি পাবেন। যাঁরা চাষাবাদ বা কৃষি-সংক্রান্ত কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত। যাঁদের কাছে জমির প্রয়োজনীয় নথি বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। সরকারি নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলেই আবেদনকারীরা এই কার্ড পাবেন।
6
7
এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন, নিজস্ব জমিতে চাষ করা কৃষকযৌথভাবে চাষ করা কৃষকবর্গাদার বা লিজ নেওয়া জমিতে চাষ করা কৃষক, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং জয়েন্ট লাইবেলিটি গ্রুপ-এর সদস্যরা, দুগ্ধ উৎপাদন, পশুপালন, পোলট্রি ও মৎস্যচাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষক,পিএম কিষাণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীরাও নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করলে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড-এর সুবিধা পেতে পারেন।
7
7
'কিষান ক্রেডিট কার্ড' করতে কী কী নথি লাগবে? আধার কার্ড, প্যান , পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণ, কৃষিজমির মালিকানার নথি, কোন ফসল চাষ করা হবে তার তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্কের চাওয়া অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি।