রাজ্যের রেশন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত, স্বচ্ছ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের।
2
8
বায়োমেট্রিক ছাড়া এমনিতেই তোলা যায় না রেশন সামগ্রী। এবার পরিবারভিত্তিক রেশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বড় বদল আনল খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর।
3
8
ডিজিটাল রেশন ব্যবস্থা চালুর পর থেকেই গ্রাহকদের সুবিধার্থে পোর্টাবিলিটি বা যে কোনও স্থান থেকে রেশন সামগ্রী সংগ্রহের সুবিধা চালু ছিল। তবে এবার পরিবারভিত্তিক রেশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিয়ম আরও কড়া করা হল।
4
8
খাদ্য দপ্তরের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, একই যৌথ পরিবারের সদস্যরা আর আলাদা আলাদা স্থান বা ভিন্ন ভিন্ন রেশন ডিলারের কাছ থেকে নিজেদের বরাদ্দের খাদ্যদ্রব্য তুলতে পারবেন না।
5
8
ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার পর থেকে যে কোনও কার্ডধারীর বায়োমেট্রিক প্রমাণের মাধ্যমে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের রেশন দোকান থেকে খাদ্যসামগ্রী তোলার সুযোগ ছিল। এর জন্য নিজস্ব নির্দিষ্ট ডিলারের কাছে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে এই সুবিধার কারণে প্রশাসনিক ও হিসেব সংক্রান্ত বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।
6
8
বিশেষ করে একই যৌথ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত কার্ডধারীরা কাজের সূত্রে বা অন্য কোনও কারণে আলাদা জায়গায় থাকলে, আলাদা আলাদা জায়গা থেকে নিজেদের ভাগের খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করছিলেন। যার জেরে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। তাই জটিলতা দূর করতে খাদ্য দপ্তরের স্পষ্ট বার্তা, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এখন থেকে এক পরিবারের সমস্ত সদস্যের শুধুমাত্র একটি জায়গা থেকেই রেশন তুলতে হবে।
7
8
রেশনের অপব্যবহার রোধ করা এবং বণ্টন প্রক্রিয়ায় একশোভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে সরকার। এখন যাঁরা কর্মসূত্রে পরিবারের থেকে দূরে থাকেন, তাঁদের সমস্যা সমাধানের জন্য খাদ্য দপ্তর ‘পরিবার বিভাজন’-এর (ফ্যামিলি স্প্লিটিং) পরামর্শ দিয়েছে। সেক্ষেত্রে আলাদা স্থান থেকে রেশন তুলতে চাইলে ওই কার্ডধারীকে নিজের কার্ডটি পরিবারের রেশন কার্ড থেকে আলাদা করে নিয়ে নতুন করে নথিভুক্ত করাতে হবে।
8
8
তবে বর্তমানে খাদ্য দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অনলাইনে ‘পরিবার বিভাজন’-এর (ফ্যামিলি স্প্লিটিং) সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তাই যাঁদের অবিলম্বে কার্ড আলাদা করা প্রয়োজন, তাঁদের বিডিও অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট পুরসভায় সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে অফলাইনে এই কাজ সম্ভব।