বিপর্যয় মোকাবিলায় বাংলায় তৈরি হচ্ছে বিশেষ বাহিনী ‘অর্জুন’। প্রাথমিকভাবে ২০০ জনকে নিয়ে শুরু হচ্ছে এই বাহিনী। এর লক্ষ্য দুর্যোগের সময়ে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকাজ।
2
10
এই বাহিনীতে মূলত সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়া কর্মীদের নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজ্য সৈনিক বোর্ডের অধীন থাকা অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীরাই সুযোগ পাবেন।
3
10
‘অর্জুন বাহিনী’-তে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক নিয়োগে ৪০ বছর বা তার কম বয়সি অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীদের নেওয়া হচ্ছে।
4
10
পরবর্তী সময়ে ভারতীয় সেনার অগ্নিবীরদেরও এই বাহিনীতে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে অগ্নিবীরদের প্রথম ব্যাচের জন্যও সুযোগ তৈরি হতে পারে।
5
10
বাহিনীতে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ স্তর থাকছে। সাধারণ সদস্যদের বলা হবে ‘বীর’, আর দলের নেতৃত্বে থাকবেন ‘বীর নায়ক’।
6
10
‘বীর’ সদস্যরা মাসে ২৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। ‘বীর নায়ক’-এর মাসিক বেতন হতে পারে ৪০ হাজার টাকা। প্রতি বছর বেতন ৩ শতাংশ হারে বাড়বে।
7
10
কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু বা গুরুতর দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার কভারেজ থাকবে। স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।
8
10
প্রথম পর্যায়ে ২০০ সদস্যকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে কলকাতায় ১০০ জন, দার্জিলিংয়ে ৫০ জন এবং সুন্দরবনে ৫০ জনকে মোতায়েন করা হবে।
9
10
ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ধস বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালানোই হবে এই বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
10
10
‘অর্জুন বাহিনী’-কে ধীরে ধীরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)-এরআদলে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে দিঘা, মন্দারমণি, মুকুটমণিপুর, তারাপীঠ ও উত্তরবঙ্গের তরাই-ডুয়ার্সের মতো এলাকাতেও বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।