হড়পা বানে বিধ্বস্থ নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ। মৃত্যু মিছিল। হাহাকার। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়ছে ভিড়। চলছে দেহ শণাক্তকরণের প্রক্রিয়া। এই পরিস্থিতিতে আরও বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে হিমালয়ের দেশে।
2
8
তার মাঝেই আবার বড় দাবি কাঠমাণ্ডু প্রশাসনের। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমসূত্রে খবর তেমনটাই। তথ্য, কাঠমাণ্ডু প্রশাসন মনে করছে, ভারত, চিন এবং আমেরিকা, তিন দেশের দূষণের কারণেই এই বিপদ নেমে এল নেপালের।
3
8
সে দেশের মন্ত্রী, শিশির খনাল, নেপালের সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই তিন দেশ থেকেই সবথেকে বেশি গ্রিণ হাউস গ্যাসের নির্গমণ হয়। ফলে ক্ষতির দায় তাদের।
4
8
আর ঠিক সেই কারণেই, তিন দেশের থেকে ক্ষতিপুরণের ভাবনা ভাবছে নেপাল। বিপর্যস্ত এনপালের, সবকিছু আগের মতো ঠিকঠাক করতে, হাল ফেরাতে কত টাকার প্রয়োজন? তথ্য, অন্তত ৫০০ কোটি ডলারের প্রয়োজন।
5
8
রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে সাহায্য চাইছে নেপাল পরিস্থিতির বিচারে। অন্যদিকে ভাবনা, এই তিন দেশ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের।
6
8
বিষয়টিকে তারা নৈতিক দাবি হিসেবেই দেখছে। অন্যদিকে আবার কঠিন পরিস্থিতিতে পাশে পেয়ে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
7
8
ভয়াবহ হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালকে সময় মতো উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণ দিয়ে সাহায্য করায় ভারত এবং চিনকে ধন্যবাদ জানালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
8
8
তিনি বলেন, “আমাদের বন্ধু চিন এবং ভারত প্রযুক্তিবিদ পাঠিয়ে প্রথম দিন থেকেই এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা এবং সেখানে পৌঁছনো সম্ভব কি না, তা নির্ধারণ করতে আকাশপথে পর্যবেক্ষণ-সহ নানা নজরদারি চালিয়েছিল।”