নেপালের পর এবার ভয়াবহ হড়পা বানের আশঙ্কা ভারতের এই রাজ্যে। মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রবল বর্ষণ ব্যাপক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। অসম ও উত্তরাখণ্ডে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে; ঝাড়খণ্ড ও উত্তর প্রদেশে নদ-নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তলিয়ে গিয়েছে সেখানকার একাধিক রাস্তা, ঘর-বাড়ি।
2
7
এছাড়া ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং স্কুলগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে প্রসাশন। উত্তরাখণ্ডে ধসে মৃত অন্তত ৭ জন। সররভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্য তেমনটাই। পিথোরাগড়, নৈনিতাল বাগেশ্বর-সহ একাধিক জায়গার মোট ১৭২টি রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে প্রবল বর্ষণ-ধসে।
3
7
অন্যদিকে, প্রবল দুর্যোগের কবলে উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডও। উত্তরপ্রদেশের একাধিক এলাকায় বিপদসীমার উপরে বইছে গঙ্গা। একাধিক জায়গায় বন্যার আশঙ্কা।
4
7
বারাণসীর ৮৪টি ঘাট ইতিমধ্যেই জলের তলায় বলে জানা যাচ্ছে। আশঙ্কা প্রবল হতেই সে রাজ্যের নিচু এলাকাগুলিথেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।
5
7
উত্তরপ্রদেশের একাধিক জেলায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা। হড়পা বানের আশঙ্কা বাংলার পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডেও।
6
7
অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টির জেরে বাড়ছে দামোদর নদে জলস্তর। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঞ্চেত ও মাইথন জলাধার থেকে দফায় দফায় জল ছাড়া হচ্ছে।
7
7
সেই জল এসে পৌঁছাচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারেজে। সেচ দপ্তর সূত্রে খবর, বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৪০০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে।